ভোরে ঘুম থেকে উঠে জানালার পর্দা সরাতেই দেখি উঠানে দুটি ম্যাগপাই পাখি ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলাদেশে জোড়া শালিককে যেমন শুভ ধরা হয় তেমনি বিলাতে ম্যাগপাই। শীতের আগমনি বার্তা জানান দিচ্ছিল ভোরের কুয়াশাছন্ন আকাশ। তাপমাত্রা ছিলো ৪ ডিগ্রিরও কম। যদিও কিছু সময় পরে উজ্জ্বল সূর্যকিরণে চারপাশ রক্তিম হয়ে উঠে। আজকের দিনটি আমাদের জন্য শুভ। কারণ ২০০৬ সালের ২০শে অক্টোবর শবে কদরের রাতে আমার মেয়ে তেহ্বজিব শরীফ জন্ম গ্রহন করে। আমাদের সন্তান। অনেক আখাংকার, অনেক প্রতিক্ষার।
আজ সকালে ঘুম থেকে জাগিয়েছি You Tube থেকে Beatles-এর Happy Birthday গান শুনিয়ে। কাল গভীর রাত পর্যন্ত আমি আর তার মা মিলে স্কুলের জন্য কেক বানিয়েছি। সকালে উঠে সেইটা আবার সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়ে স্কুলে দিয়ে এসেছি। মেয়ে আমার কত খুশী! আগেই বলেছিলো বন্ধুদের সাথে কেক কাটবে। আবার স্কুলে যাওয়ার সময় পাশের বাসার ভারতীয় ডাঃ বিশাল ও তার স্ত্রী যখন উইশ করে তখন লজ্জায় মুখ লুকায়। বড় একটা পিয়ানো কিনে লুকিয়ে রেখেছি। সন্ধ্যায় তার মা হাসপাতাল থেকে বাড়ী ফিরে আসলেই দিবো। মেয়ের জন্মদিনে তারচেয়ে আমাদের খুশী আরো বেশী। নিঃস্বন্গ আর জেলো প্রবাস জীবনে খুশীর উপলক্ষ খুব কম আসে। তাই আজ শুধু আমার ব্লগ বাড়িতেই নয় সবখানেই খুশির ছটা।
এই আনন্দ ব্লগীয় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার প্রয়াসে এই পোস্ট।
Wednesday, 20 October 2010
ক্রিকেটকে জাতীয় খেলা করার দাবি লগে গাজি মামার ফিচলামি আর তালিবালি কিসু কতা
কাইলকা একটা পোস্টাইসিলাম। ক্রিকেটকে জাতীয় খেলা ঘোষনা দেয়া হউক এইখানে দেখুন। যেনো জোকের মুখে নুন পড়সে। সক্কালে ফেসবুকে যাইয়া দেখি গাজি মামা মেসেজ দিসে - " আমারে আর শহিদরে লইয়া তুই সুখে থাকতে পারলি না? কি অমন ভূতে কিলাইসে তুই ক্রিকেটরে জাতীয় খেলা করতে কইলি? সামুতে তো তরে মাইনাসের বন্যায় ভাসাই দিসে। খুব ভালা হইসে। আমাগোরে গুতানোর সময় মনে থাকে না। এক্কন মজা বুঝ।"
যাওগ্গা মামার যা বুঝনরে তা বুজছে আর আমার যা কওনের আমি কইসি। হ্য়ত হুজুগে লেখাটা লিখসিলাম মাগার আমার চাইতে বড় হুজুগে পাবলিক আসে তারও প্রমান বিয়াফক মাইনাস। মাইনাস পাইসি কুনু দুসঃকু নাই। কিন্তু কিসু পাবলিক যেই কমেনটাইসে তাতে জ্বালা বাড়সে। কেউ কইসে পাগলা আর কেউ কইসে মাতাল। যারা বাজে কমেনটাইসে তাগোরে জিগাই : কাবাডি খেলার নিয়ম জানেন নি না হুদাই চিল্লাইসেন?
কাবাডি ঐতিহ্যমন্ডিত জাতীয় খেলা এতে কুনু সন্দেহ নাই। কিন্তু এই জাতীয় খেলারে আমরা কতটুকু মর্যাদা দিতাসি? জাতীয় খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের নাম কয় জনে কইতে পারবো? আইচ্ছা ঐটা বাদ। জাতীয় খেলার জাতীয় দলের অধিনায়কের নাম কয়জনে জানে? টিভি চ্যানেলে খেলার সংবাদের আগে ক্য়টা টিভি চ্যানেলে কাবাডি খেলার ক্লিপিং দেখায়? জাতীয় খেলারে যদি মর্যাদাই দিতে না পারি তাইলে নাম কা ওয়াস্তে রাইক্কা লাভ কি???
আমরা হইলাম হুজুগে জাতি। আইজকা হয়ত সাকিবরা ভালা করসে বইল্যা এই দাবি করতেসি। কাইলকা খারাপ করলে জিরো পয়েন্টে ন্যাংটা কইরা পিডানোর দাবি করুম। মাগার জাতীয় খেলার ব্যাপারে আমার দাবি পরিস্কার জাতীয় খেলা যেইটাই হউক, এর যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হউক।
যাওগ্গা মামার যা বুঝনরে তা বুজছে আর আমার যা কওনের আমি কইসি। হ্য়ত হুজুগে লেখাটা লিখসিলাম মাগার আমার চাইতে বড় হুজুগে পাবলিক আসে তারও প্রমান বিয়াফক মাইনাস। মাইনাস পাইসি কুনু দুসঃকু নাই। কিন্তু কিসু পাবলিক যেই কমেনটাইসে তাতে জ্বালা বাড়সে। কেউ কইসে পাগলা আর কেউ কইসে মাতাল। যারা বাজে কমেনটাইসে তাগোরে জিগাই : কাবাডি খেলার নিয়ম জানেন নি না হুদাই চিল্লাইসেন?
কাবাডি ঐতিহ্যমন্ডিত জাতীয় খেলা এতে কুনু সন্দেহ নাই। কিন্তু এই জাতীয় খেলারে আমরা কতটুকু মর্যাদা দিতাসি? জাতীয় খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের নাম কয় জনে কইতে পারবো? আইচ্ছা ঐটা বাদ। জাতীয় খেলার জাতীয় দলের অধিনায়কের নাম কয়জনে জানে? টিভি চ্যানেলে খেলার সংবাদের আগে ক্য়টা টিভি চ্যানেলে কাবাডি খেলার ক্লিপিং দেখায়? জাতীয় খেলারে যদি মর্যাদাই দিতে না পারি তাইলে নাম কা ওয়াস্তে রাইক্কা লাভ কি???
আমরা হইলাম হুজুগে জাতি। আইজকা হয়ত সাকিবরা ভালা করসে বইল্যা এই দাবি করতেসি। কাইলকা খারাপ করলে জিরো পয়েন্টে ন্যাংটা কইরা পিডানোর দাবি করুম। মাগার জাতীয় খেলার ব্যাপারে আমার দাবি পরিস্কার জাতীয় খেলা যেইটাই হউক, এর যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হউক।
ক্রিকেটকে জাতীয় খেলা ঘোষনা দেয়া হউক
এই মুহুর্তে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি। আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে এই খেলাটির আর চল নাই। এমন কি সাফ গেমসগুলোতে মাঝে মাঝে কাবাডি বাদ দেয়ার অবস্হা হয়। অথচ অলিম্পিকে টুয়েন্টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট যুক্ত করার চিন্তা ভাবনা চলছে। অনেকে বলবেন কাবাডি আমাদের ঐতিহ্য। গ্রাম- বাংলার মাটি ও মানুষের খেলা কাবাডি। কিন্তু আজকে গ্রাম বাংলার কয়জন ছেলে মেয়ে কাবাডি খেলতে চায়? সবাইতো পারলে সাকিব আর তামিম হইতে চেস্টা করতেসে। কাবাডি থেকে বাংলাদেশ কি পেয়েছে? সর্বোচ্চ সাফ গেমসে স্বর্ণ। দেশবাসি কি তাতে আনন্দিত হয়ে রাস্তায় মিছিল করেছিলো? নিশ্চয় নয়। কারণ তাতে কারো কোনো খবর নাই। কিন্তু সেই ১৯৯৮ সাল থেকে ক্রিকেট জাতিকে বারবার আনন্দ দিয়েছে। আমরা উল্লাসে ফেটে পড়েছি। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের সাথে সিরিজে ক্রিকেটাররা আমাদের গর্বিত করেছে। তাই ডিজিটাল সরকারের কাছে ক্রিকেট পাগল জনগনের আকুল আবেদন, আধুনিক জাতি হিসাবে নিজেদের বিশ্বের দরবারে পরিচয় তুলে ধরার জন্য এবং ক্রিকেটের সার্বিক মংগলের জন্য ক্রিকেটকে জাতীয় খেলা ঘোষনা দেয়া হউক।
শাহিদ ভায়া। এক মহান (!) ক্রিকেটার।ফান পোস্ট
বাংলাদেশ সিরিজ জয় করসে। খুব খুশী লাগতাসে। শহিদ ভায়া'রে মিস করতাসি। কারণ হে আছিলো এক মহান (!) ক্রিকেটার। বাংলাদেশ এই বিজয় আরো আগে পাইতে পারত যদি শহিদ ভায়ারে দলে লইত। এমনকি বাংগালির বিশ্বকাপ মিস খাইসে শুধু শহিদ ভায়া'রে পাত্তা দেয় নাই বইল্যা। আরে বাপ, খেলোয়াড় হিসাবে না নিয়া কমসে কম তো অফিসিয়াল হিসাবে নিতে পারতো। বুজলিনা রে মনা! যাই হোক বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতসে। এই খুশীর সময় শাহিদ ভায়া'র ক্রিকেট মাঠের কিসু মহান (!) কাহিনী বয়ান করতাসি।
১) আরেক পাড়ায় একটা ম্যাচ আছিলো। ঐদিন আমাগো টিমের রেগুলার প্লেয়ার না আসায় শহিদ ভায়া চান্স পাইসে। মোটামুটি পুরা খেলা ভালা হইসে। কারন শহিদ ভায়ারে এমন জায়গায় দাড় করান হইসে যেই জায়গায় বল সহজে যায় না। নইলে শহিদ ভায়া বল ধরে না মাগুর মাছ ধরে বুঝা যায় না। বল নাকি তার দিকে গেলে সে নার্ভাস হইয়া যাইতো। যাওগ্গা আমরা আগে ভালা বোলিং কইরা ওগোরে টাইট দিসি। মোটামুটি ব্যাট ধইরা খাড়াই থাকলে জিইত্যা যামু এমন অবস্হা। আমাগো ক্যাপটেন কইলো: ঠিক আছে শহিদ ভায়া তো চান্স পায়না। আইজকা সে আগে ব্যাট করুক। সবাই রাজি। শহিদ ভায়া নামলো। ওরে আল্লাহ এক বলের মালিক। পরথম বলে বোল্ড। অ্যামপায়ার এক আংগুল দেখাই দিসে। কিন্তু শহিদ ভায়া ক্রিজ ছাড়েনা। কি রে কি হইসে? শহিদ ভায়া কয়: আরে ঐটা তো নো বল। অ্যামপায়ার ভুল করসে। আমরা কইলাম শহিদ ভায়া চইল্যা আয়। কিন্তু সে শুরু করলো অ্যামপায়ারের লগে ঝগড়া। অন্য টিমের খেলোয়াড়গুলান তো চান্সে আছিলো। তারাও জয়েন দিলো। আমরা বুঝলাম এইটা বড় হইয়া গেসে, এইবার পলান দরকার। শহিদ ভায়ারে রাইখ্খা আমরা সবাই পলাইলাম। পরে শুনসি তারে নাকি কান ধইরা খড়া করাই রাখা হইসিলো। আর পুরা শরীরে নাকি শুধু একটা হাফ প্যান্ট পড়া আছিলো।
২) একদিন শহিদ ভায়া যথারীতি পরথম বলে বোল্ড। অফ্ স্ট্যাম্পের বেলটা শুধু পড়সে। অমনি সে করসে কি বেলটা তুইল্যা কয়: আইজক্যা মনে হ্য় বাতাস বেশী। শুরু করলো কাইজ্যা। তখখন এক সিনিয়ার ভাই কয়, আরে ওরে আরেকবল খেলতে দিলে কি তোগো কোনো প্রবলেম আছে? বড় ভাই রে সম্মান কইরা দিলাম আরেক বল খেলতে। এই বলেও ক্লিন বোল্ড, এক্কেরে মিডল স্ট্যাম্প।
৩) শহিদ ভায়া'র একটা বিশ্ব রেকর্ড আছে। ঐটা হইলো এক ওভারে বেশী রান দেয়ার রেকর্ড। রেকর্ড এক ওভারে ৩৯ রান দিসে। পরথম ৩টা বল নো। এরমধ্য একটাতে বাই ফোর আছে। ০ বলে ৭ রান। জিন্দেগিতে কুনো বোলার দিতে পারসে? আমাগো শহিদ ভায়া পারে।
৪) পাড়ার ছেলেদের কাছে শহিদ ভায়া'র ক্রিকেট -
বোলিং: পাত্থর মারা।
ব্যাটিং: ডাংগুলি খেলা।
ফিল্ডিং: মাগুর মাছ ধরা।
৫) এক ম্যাচে শহিদ ভায়া ব্যাটিং করতে নামসে। যা হয় তাই হইসে শহিদ ভায়া বোল্ড। ক্রিজ
থেইক্যা যাওয়ার সময় বোলাররে কয়: ভাগ্যক্রমে দারুন বোলিং করসো। আমার উইকেটটা পাইসো এর চাইতে বেশী কিছু কি আশা করতে পারতা? বোলার চেইত্যা কয়: আপনেরে যদি মাঠে না দেখতাম, ওইটাই হইতো বেশী আশা।
৬) একবার এক খেলায় শহিদ ভায়া মামুন হুজুরের ওভারে প্রায় ৪/৫ টা ক্যাচ মিস করসে। এইজন্য ম্যাচও গেসে। খেলা শেষে শহিদ ভায়া কয়: আমার তাড়াতাড়ি যাইতে হইবো। ঢাকা যামু ট্রেন ধইরতে হইবো। মামুন হুজুর চেইত্যা কয়: হালার হালা, আমার মনে ঐটাও তোর হাত ফসকায়া যাইবো।
১) আরেক পাড়ায় একটা ম্যাচ আছিলো। ঐদিন আমাগো টিমের রেগুলার প্লেয়ার না আসায় শহিদ ভায়া চান্স পাইসে। মোটামুটি পুরা খেলা ভালা হইসে। কারন শহিদ ভায়ারে এমন জায়গায় দাড় করান হইসে যেই জায়গায় বল সহজে যায় না। নইলে শহিদ ভায়া বল ধরে না মাগুর মাছ ধরে বুঝা যায় না। বল নাকি তার দিকে গেলে সে নার্ভাস হইয়া যাইতো। যাওগ্গা আমরা আগে ভালা বোলিং কইরা ওগোরে টাইট দিসি। মোটামুটি ব্যাট ধইরা খাড়াই থাকলে জিইত্যা যামু এমন অবস্হা। আমাগো ক্যাপটেন কইলো: ঠিক আছে শহিদ ভায়া তো চান্স পায়না। আইজকা সে আগে ব্যাট করুক। সবাই রাজি। শহিদ ভায়া নামলো। ওরে আল্লাহ এক বলের মালিক। পরথম বলে বোল্ড। অ্যামপায়ার এক আংগুল দেখাই দিসে। কিন্তু শহিদ ভায়া ক্রিজ ছাড়েনা। কি রে কি হইসে? শহিদ ভায়া কয়: আরে ঐটা তো নো বল। অ্যামপায়ার ভুল করসে। আমরা কইলাম শহিদ ভায়া চইল্যা আয়। কিন্তু সে শুরু করলো অ্যামপায়ারের লগে ঝগড়া। অন্য টিমের খেলোয়াড়গুলান তো চান্সে আছিলো। তারাও জয়েন দিলো। আমরা বুঝলাম এইটা বড় হইয়া গেসে, এইবার পলান দরকার। শহিদ ভায়ারে রাইখ্খা আমরা সবাই পলাইলাম। পরে শুনসি তারে নাকি কান ধইরা খড়া করাই রাখা হইসিলো। আর পুরা শরীরে নাকি শুধু একটা হাফ প্যান্ট পড়া আছিলো।
২) একদিন শহিদ ভায়া যথারীতি পরথম বলে বোল্ড। অফ্ স্ট্যাম্পের বেলটা শুধু পড়সে। অমনি সে করসে কি বেলটা তুইল্যা কয়: আইজক্যা মনে হ্য় বাতাস বেশী। শুরু করলো কাইজ্যা। তখখন এক সিনিয়ার ভাই কয়, আরে ওরে আরেকবল খেলতে দিলে কি তোগো কোনো প্রবলেম আছে? বড় ভাই রে সম্মান কইরা দিলাম আরেক বল খেলতে। এই বলেও ক্লিন বোল্ড, এক্কেরে মিডল স্ট্যাম্প।
৩) শহিদ ভায়া'র একটা বিশ্ব রেকর্ড আছে। ঐটা হইলো এক ওভারে বেশী রান দেয়ার রেকর্ড। রেকর্ড এক ওভারে ৩৯ রান দিসে। পরথম ৩টা বল নো। এরমধ্য একটাতে বাই ফোর আছে। ০ বলে ৭ রান। জিন্দেগিতে কুনো বোলার দিতে পারসে? আমাগো শহিদ ভায়া পারে।
৪) পাড়ার ছেলেদের কাছে শহিদ ভায়া'র ক্রিকেট -
বোলিং: পাত্থর মারা।
ব্যাটিং: ডাংগুলি খেলা।
ফিল্ডিং: মাগুর মাছ ধরা।
৫) এক ম্যাচে শহিদ ভায়া ব্যাটিং করতে নামসে। যা হয় তাই হইসে শহিদ ভায়া বোল্ড। ক্রিজ
থেইক্যা যাওয়ার সময় বোলাররে কয়: ভাগ্যক্রমে দারুন বোলিং করসো। আমার উইকেটটা পাইসো এর চাইতে বেশী কিছু কি আশা করতে পারতা? বোলার চেইত্যা কয়: আপনেরে যদি মাঠে না দেখতাম, ওইটাই হইতো বেশী আশা।
৬) একবার এক খেলায় শহিদ ভায়া মামুন হুজুরের ওভারে প্রায় ৪/৫ টা ক্যাচ মিস করসে। এইজন্য ম্যাচও গেসে। খেলা শেষে শহিদ ভায়া কয়: আমার তাড়াতাড়ি যাইতে হইবো। ঢাকা যামু ট্রেন ধইরতে হইবো। মামুন হুজুর চেইত্যা কয়: হালার হালা, আমার মনে ঐটাও তোর হাত ফসকায়া যাইবো।
Wednesday, 13 October 2010
আবার শহিদ ভায়া। এইবার এক্কেরে এক ডজন।
কিসুদিন খ্যামা দিসিলাম। কিন্তু পাবলিক ডিমান্ড কইয়া একটা কথা আসে। তাই আবার শহিদ ভায়া রে লইয়া ফিরত আসলাম।
লগে কিন্তু গাজি মামা'র ও এন্ট্রি আসে।
১)
কিস কিসকি মেহফিল মে কিস কিসকো কিস কিয়া?
এক গাজি মামা থি জো হার কিস কো মিস কিয়া।
এক শাহিদ ভায়া থি জো হার মিস কো কিস কিয়া।
২) শাহিদ ভায়াকে জিগ্গাসা করা হলো: আচ্ছা যারা কানে শুনে না তাদেরকে কি বলা যায়?
শাহিদ ভায়া উত্তর দিলো: যা খুশি তা বলতে পারো। তারা তো আর কানে শুনে না।
৩) শাহিদ ভায়া আর গাজি মামা'র কথা হচ্ছে। শাহিদ ভায়া বললো: মামু কালকে একটা নতুন কাপড় ধোয়ার পাউডার কিনলাম। কিন্তু, ওইটা দিয়ে আমার জিনস প্যান্টটা ধুইতেই জিনস এক সাইজ ছোটো হয়ে গেসে। কি করি বলতো মামু?
গাজি মামা জবাব দেয়: এক কাজ কর মামু, ওই ডিটারজেন্ট দিয়ে তুইও গোসল করে ফেল। তাইলে দেখবি তোর জিনস বরাবর ফিট।
৪)শাহিদ ভায়া একটা ইন্টারভিউ দিতে গেছে। জিগ্গাসা করা হলো: আচ্ছা, বলুন তো গণভবন কোথায়?
শাহিদ ভায়া উত্তর দিলো: চট্টগ্রামে।
বস্ বললো: এই আপনার জেনারেল নলেজ? গণভবন কোথায় এইটা জানেন না?
শাহিদ ভায়া উত্তর দিলো: স্যার, ঢাকায় বললে কি চাকরিটা হয়ে যাবে?
৫) গাজি মামা ছোটো বেলায় ফাকিবাজ ছাত্র ছিলো। তো দুইদিন স্কুলে যায় নাই। স্যার জিগ্গাসা করলো: কি রে পরশু স্কুলে আসিস নাই কেন?
গাজি মামা বললো: স্যার পরশু আমি একটা নয়া লুংগি কিনসিলাম, তাই খুশিতে ছুটি নিসি।
স্যার আবার জিগ্গাসা করলো: তাইলে কাইলকা আসোস নাই কেন?
গাজি মামা কয়: কাইলকা আমি স্কুলে আসার সময় দেখলাম আপনের ঘরের বারান্দায় একটা নয়া লুংগি দেখসিলাম, তাই মনে করসিলাম আপনে ওই খুশিতে ছুটি নিবেন।
৬) একদিন গাজি মামা একটা হোটেলে খাইতে গেসে। ওয়েটারকে বললো: যাও আমার জন্য গরম গরম পরটা আর ভাজি নিয়া আসো।
ওয়েটার বললো: ঠিক আছে মামা, আমি আনতেসি একটু ওয়েট করেন।
গাজি মামা কয়: কি বললে?
ওয়েটার আবার বললো: মামা, আমি আনতেসি একটু ওয়েট করেন।
গাজি মামা চেইত্যা কয়: হারামজাদা ওয়েটার কে আমি না তুই? ওয়েট করতে হইলে, তুই কর।
৭) শহিদ ভায়া'র দর্শণ:
নারী মানে কি: শক্তি
পুরুষ মানে কি: সহ্য শক্তি
৮) একদিন শহিদ ভায়া'র পায়ে দেখি ব্যান্ডেজ। জিগ্গাসা করলাম: ভায়া, কি হইসে? কোথাও ধরা খাইসো?
শহিদ ভায়া কয়: হ্। ওই গর্তটা দেখসস্?
আমি কইলাম: দেখসি।
শহিদ ভায়া কয়: ওইটাই তো আমি দেখি নাই।
৯) আরেকদিন শহিদ ভায়া একটা হোটেলে খাইতে গেসে। অর্ডার দিসে: যা আমার জন্য চিকেন নিয়ে আয়।
ওয়েটার বললো: ভায়া, কি চিকেন আনবো? চাইনিজ না ফ্রেন্চ?
শহিদ ভায়া চেইত্যা কয়: হারামজাদা, আমি খামু না কথা কমু?
১০) শহিদ ভায়া রেললাইনের উপর শুয়ে আছে দেখে গাজি মামা বললো: কি রে রেললাইনের উপর শুইয়া আসোস তোর উপর ট্রেন গেলে তো তুই মরে যাবি। শহিদ ভায়া বললো: অ্যা, ট্রেন! মাথার উপর দিয়া প্লেন উড়ে গেলো কিসসু হ্য় নাই এই শহিদ মিয়ার।
১১) শহিদ ভায়া মামুন হুজুরকে বললো: মামুন হুজুর আমি বিয়া করুম।
মামুন হুজুর বললো: শহিদ ভায়া, বিয়া কোনো ছোটো বাচ্চার খেলা না।
শহিদ ভায়া বলে: জানি, ঐটা বাচ্চাদের জন্য খেলা হয়।
১২) সেইদিন রাস্তা দিয়া যাইতেসিলাম। পিছন থেইক্যা কে জানি চিক্কুর দিলো। ফিইরা দেখি শহিদ ভায়া। হেভ্ভী টেম্পার। আমারে দেইখ্খা কয়: শালার পুত শালা, তুই নাকি আমারে লইয়া ব্লগে মশকরা করস? ফান করস? জোক করস? হাসি ঠাট্টা করস? তুই জানস, আমি কত ভালো চাকরি করি? আমি একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক। দেশের কত উপকার করি। জনগনকে কত সেবা দিই। আমি কইলাম: খাড়া শহিদ ভায়া, এই জোক আমি ব্লগে করি নাই।
আমাগো গাজি মামা
শহিদ ভায়া নিয়া লেখতে লেখতে পাবলিকরে এট্টু বিলা বানাইয়া ফালাইসি। নিজের কাসে মনে হইতাসে কেমুন জানি একটু টাইপড্ হইয়া যাইতাসে। তাই শুরু করলাম গাজি মামা সিরিজ। কিন্তু এরমধ্য শহিদ ভায়া'র কিসু পার্ট আসে। কারণ হেরা আবার জিগরি দোস্ত। আশাকরি গাজি মামা আপনাগো বেয়াফক বিনোদন দিবো।
আমাগো গাজি মামা দেখতে ছোটোখাট গোলগাল নাদুস-নুদুস। মানুষটা বেয়াফক আমুদে আর হাসি-খুশি। গাজি মামা হইলো আমাগো ডিসটিং গ্রুপের পাবলিক রিলেশন অফিসার। গুরা হউক আর বুড়া হউক লগে লগে ফেরেন্ড বানাইতে গাজি মামা'র বিকল্প নাই। কুনু মাইয়ার নিউজ লাগলে গাজি মামা লগে লগে ডেটা বেইজ ফাইল খুইল্যা চউদ্দ্যা গুস্টির কুষ্টি জানাই দিবো।
এহেন গাজি মামা'র পেরেম আসিলো পাশের বাড়ির রোজি মামি'র লগে। রোজি মামি খুব সুন্দর আসিলো। আসলে গাজি মামা গেসিলো আমার প্রস্তাব লইয়া উল্টা মামা'র লোগে মামি ফিট হইয়া গেসে। সে আরেক কাহিনী। পরে টাইম বুইজ্জা কমু। যদিও পরে আমি রোজি মামি'র ভাই হইয়া গেসিলাম (ট্রাজেডি আর কারে কয়!)। তো একদিন রোজি মামি'র লগে মামা'র হেভি কিচাইন লাগসে। মামি সালিশ ডাকলো এক রেস্টুরেন্টে। ভালা খানা-দানার আশায় আমরা নাদানরা হাজির। ঐ সালিশে আছিলো বিশিষ্ট চিন্তাবিদ মামুন হুজুর (হুজুরের বর্ণনা দিতে গেলে আরো ৩/৪ বার পুস্টাইতে হইবো), বিশিষ্ট আলেম লতা ফরমান (এর চাইতে বড় জালেম আর নাই), বিশিষ্ট সমাজবিদ পুংটা পারভেজ (যার পুংটামির জ্বালায় কত মানুষ কত রাইতে ভাত না খাইয়া আছিলো), চান্দি মানিক (হে খবর ছাড়া গন্ধ শুইক্যা চইল্যা আসছিলো), বিশিষ্ট শহিদ ভায়া আর আমি। উভয় পার্টি বেয়াফক খানা'র অর্ডার দিলো যাতে রায় পখখে যায়। রোজি মামি কইলো: আপনাগো মামা আমারে আগের মতো সময় দেয় না। মনে লয় অন্য কারো লগে ইটিশ পিটিশ করতাসে। গাজি মামা জবাব দিলো: কসম আল্লাহ আমি কারো লগে ইটিশ-পিটিশ করতাসিনা। একটা নতুন টিউশনি করতাসি তাই হেরে আগের মতো টাইম পারিনা। তাছাড়া ওরা ঘর বদলাইছে বইল্যা আগের মতো দেখা হয় না। শুরু হইয়া গেলো ফাইট। এর মইদ্দে আমরা খাবার সাবাড় করতেসি। খাবার খাওয়ার পর আমরা বিশিষ্ট জন ডিসিশন দিলাম: আসলে দুইজনের মাঝে কুনু প্রবলেম নাই। এরমধধে থার্ড পার্টির হাত আসে। এই থার্ড পার্টি হইলো শহিদ ভায়া। কারণ গাজি মামা আর শহিদ ভায়া জিগরি দোস্ত হইলে কি হইবো, দুইজনের মইদ্দে কষাকষি আছে। শহিদ ভায়া, রোজি মামি'র লগে মশকারি করসে আর মামি ওইটা সিরিয়াসলি নিসে। বেচারা শহিদ ভায়া। ঐদিনের খাবারের বিল দিতে হইসে। কিন্তু বিচারের রায় মামিরে খুশি করতে পারে নাই।
পরে অবশ্য গাজি মামা'র আট বছরের পেরেম ভাইংগা গেসে। মামা বেকার আছিলো বইল্যা মামি'র বিয়া হইসে এক উকিলের লগে। উকিল কালা কোট পড়ে তাই আমরা ডাকি কুকিল। আর গাজি মামারে দেখলে কুউ কুউ করি। একটা গানও বান্দসি তারে লইয়া "আমার বউ কাড়িয়া নিলো রে মরার উকিলে....... আমায় উদাসী বানাইয়া গেলো রে মরার উকিলে"
ফাইনাল ট্রাজেডি: একদিন রোজি মামির লগে রাস্তায় দেখা। লগে হের ১ বছরের পুলা। গাজি মামাও আছিলো। রোজি মামি কইলো: বাবু, তুমার মামাদের দেখো। গাজি মামা আমারে ফিসফিসাইয়া কইলো: হায় সেলুকাস্! বাবা কেনো মামা???
অফ টপিক: গাজি মামা এখন বহুত ভালা চাকরি করে। কিন্তু, চান্দে, বাদলে অহনও রোজি রোজি কইয়া চিক্কুর মারে।
আমাগো গাজি মামা দেখতে ছোটোখাট গোলগাল নাদুস-নুদুস। মানুষটা বেয়াফক আমুদে আর হাসি-খুশি। গাজি মামা হইলো আমাগো ডিসটিং গ্রুপের পাবলিক রিলেশন অফিসার। গুরা হউক আর বুড়া হউক লগে লগে ফেরেন্ড বানাইতে গাজি মামা'র বিকল্প নাই। কুনু মাইয়ার নিউজ লাগলে গাজি মামা লগে লগে ডেটা বেইজ ফাইল খুইল্যা চউদ্দ্যা গুস্টির কুষ্টি জানাই দিবো।
এহেন গাজি মামা'র পেরেম আসিলো পাশের বাড়ির রোজি মামি'র লগে। রোজি মামি খুব সুন্দর আসিলো। আসলে গাজি মামা গেসিলো আমার প্রস্তাব লইয়া উল্টা মামা'র লোগে মামি ফিট হইয়া গেসে। সে আরেক কাহিনী। পরে টাইম বুইজ্জা কমু। যদিও পরে আমি রোজি মামি'র ভাই হইয়া গেসিলাম (ট্রাজেডি আর কারে কয়!)। তো একদিন রোজি মামি'র লগে মামা'র হেভি কিচাইন লাগসে। মামি সালিশ ডাকলো এক রেস্টুরেন্টে। ভালা খানা-দানার আশায় আমরা নাদানরা হাজির। ঐ সালিশে আছিলো বিশিষ্ট চিন্তাবিদ মামুন হুজুর (হুজুরের বর্ণনা দিতে গেলে আরো ৩/৪ বার পুস্টাইতে হইবো), বিশিষ্ট আলেম লতা ফরমান (এর চাইতে বড় জালেম আর নাই), বিশিষ্ট সমাজবিদ পুংটা পারভেজ (যার পুংটামির জ্বালায় কত মানুষ কত রাইতে ভাত না খাইয়া আছিলো), চান্দি মানিক (হে খবর ছাড়া গন্ধ শুইক্যা চইল্যা আসছিলো), বিশিষ্ট শহিদ ভায়া আর আমি। উভয় পার্টি বেয়াফক খানা'র অর্ডার দিলো যাতে রায় পখখে যায়। রোজি মামি কইলো: আপনাগো মামা আমারে আগের মতো সময় দেয় না। মনে লয় অন্য কারো লগে ইটিশ পিটিশ করতাসে। গাজি মামা জবাব দিলো: কসম আল্লাহ আমি কারো লগে ইটিশ-পিটিশ করতাসিনা। একটা নতুন টিউশনি করতাসি তাই হেরে আগের মতো টাইম পারিনা। তাছাড়া ওরা ঘর বদলাইছে বইল্যা আগের মতো দেখা হয় না। শুরু হইয়া গেলো ফাইট। এর মইদ্দে আমরা খাবার সাবাড় করতেসি। খাবার খাওয়ার পর আমরা বিশিষ্ট জন ডিসিশন দিলাম: আসলে দুইজনের মাঝে কুনু প্রবলেম নাই। এরমধধে থার্ড পার্টির হাত আসে। এই থার্ড পার্টি হইলো শহিদ ভায়া। কারণ গাজি মামা আর শহিদ ভায়া জিগরি দোস্ত হইলে কি হইবো, দুইজনের মইদ্দে কষাকষি আছে। শহিদ ভায়া, রোজি মামি'র লগে মশকারি করসে আর মামি ওইটা সিরিয়াসলি নিসে। বেচারা শহিদ ভায়া। ঐদিনের খাবারের বিল দিতে হইসে। কিন্তু বিচারের রায় মামিরে খুশি করতে পারে নাই।
পরে অবশ্য গাজি মামা'র আট বছরের পেরেম ভাইংগা গেসে। মামা বেকার আছিলো বইল্যা মামি'র বিয়া হইসে এক উকিলের লগে। উকিল কালা কোট পড়ে তাই আমরা ডাকি কুকিল। আর গাজি মামারে দেখলে কুউ কুউ করি। একটা গানও বান্দসি তারে লইয়া "আমার বউ কাড়িয়া নিলো রে মরার উকিলে....... আমায় উদাসী বানাইয়া গেলো রে মরার উকিলে"
ফাইনাল ট্রাজেডি: একদিন রোজি মামির লগে রাস্তায় দেখা। লগে হের ১ বছরের পুলা। গাজি মামাও আছিলো। রোজি মামি কইলো: বাবু, তুমার মামাদের দেখো। গাজি মামা আমারে ফিসফিসাইয়া কইলো: হায় সেলুকাস্! বাবা কেনো মামা???
অফ টপিক: গাজি মামা এখন বহুত ভালা চাকরি করে। কিন্তু, চান্দে, বাদলে অহনও রোজি রোজি কইয়া চিক্কুর মারে।
শহিদ ভায়া: দ্যা কুইন ফিল্ড প্যাশেন্ট
সংবিধিবদ্ব সতকিকরণ: পুরাই উরাধূরা। নিজ দ্বায়িত্বে পড়িবেন। প্রাপ্তবয়স্কদের উপাদান আছে।
আড্ডার টাইমে জামান হোটেলে গিয়া দেখি কোণার টেবিলে বইস্যা চেয়ারের উপরে এক ঠেংগ তুইল্যা শহিদ ভায়া ধুমসে গোরুর মাংস দিয়া পরোটা মারতাসে। আমার লগে লগে দেখি ড্যান্সিং মোরশেদ, অ্যান্জেল পলাশ, চান্দি মানিক আর লতা ফারমানও হাজির। সবাই তো হেভী টাসকি খাইসে। চান্দি মানিক যারে আবার আমরা আদর কইরা CNG কইয়া ডাকি কারণ সে ইন্জিনিয়ার বইলা নামের আগে ENG. লেখে। সে কইলো: শহিদ ভায়া, তুমার পকেটে হালায় অন্যদিন দুই টেকা থাকেনা, আইজকা হালায় গোস্ত, পরটা কোপাও। শহিদ ভায়া বড় দূঃখ কইরা কইলো: মনটা বড় খারাপ। আসে। হালার ডাক্তারের কাসে গেসিলাম, বড় কাহিল লাগে বইল্লা। ডাক্তার আমারে ১২টা টেস্ট দিসে কিসসু পাই নাই। মনে হয় জটিল কিসু হইসে নইলে এতো টেস্টের পরও কিসু পাইবোনা কেন। তাই মনের দূঃখে গোস্ত, পরটা খাই। শুইন্যা মাথার মধ্য কেমুন জানি একটা জাটকা দিয়া উঠল। এই না হইলে আমাগো শহিদ ভায়া, মাইনষে মনের দূঃখে খারাপ কত কিসু করে। আর আমাগো শহিদ ভায়া মনের দূঃখে গোস্ত, পরটা চাবায়। কি গঠনমূলক চিন্তা! এর মাঝে আবার গাজি মামা হাজির। সে আবার মেডিকেলে দুইবার অ্যাডমিশন টেস্ট দিসে বইল্লা লেম্পু ডাক্তার হিসাবে নাম করসে। এইবার গাজি মামা শুরু করলো কেরামতি। জিগাইলো: আইচ্ছা শহিদ ভায়া, তোর কেমুন কেমুন লাগে? শহিদ ভায়া কইলো: আমার দূর্বল লাগে তাই খালি ঝিমাই। লগে লগে CNG তার চান্দি মাথায় হাত বুলাইতে বুলাইতে কয়: হ আমি দেখসি। হে টেম্পুর ভিতরেও ঝিমায়। তারে অফ্ করাইয়া কইলাম: আরে CNG, এখন দেশ ও জাতির কঠিন অবস্হা। শহিদ ভায়া'র কিসু হইলে দেশ ও জাতি একটা আইটেম হারাইবে। তুই আল্লাহর ওয়াস্তে অফ্ যা। এরপরে গাজি মামা আবার শহিদ ভায়ারে জিগাইলো: আর কেমুন লাগে? শহিদ ভায়া কয়: পায়খানা রেগুলার না। গাজি মামারে বড় চিন্তিত মনে হইল। কিসু সময় চিন্তা কইরা গাজি মামা ক্য়: শহিদ ভায়া, আমার মনে হয় তোর মেডিসিনের ডাক্তারের কাসে না গিয়া ভেটেনারি ডাক্তারের কাসে যাওয়া উচিত। কেননা, তোর রাণীখেত রোগ হইসে।(বাহবা গাজি মামা, মানুষের রাণীখেত রোগ আবিষ্কারের জন্য নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য।) শুইন্যাই সবার মাথার তারে টুংটাং কইরা উঠল। কইলাম: কি মামা এইটা আবার কি আবিষ্কার করলা? মামা কইলো: আরে রোগের কারন ও লকখন দেখলে তো এইটা ক্লিয়ার। রাণীখেত রোগ হইলে আক্রান্ত রোগী ঝিমায়, চুনা পায়খানা করে। তো শাহিদের রোগের লগে মিল আছে। তাই ওর রাণীখেত রোগ হইসে। এইবার লতা ফারমান কইলো: এইটা তো মানুষের জন্য একটা বিরল রোগ। মনে হয় বহুত টেকা পয়সা লাগবো। তাইলে আমরা বিরল রোগী শহিদ ভায়া'র জন্য ফান্ড জোগাড় করি। পেপারে এড দিমু " বিরল রাণীখেত রোগে আক্রান্ত শহিদ ভায়া'কে বাচাতে এগিয়ে আসুন" চান্দি মানিক কইলো: রাণীখেত রোগ কতাডা কেমুন জানি লাগে। এইটার ইংরেজি নাম দিলে ভালা হয়। কিন্তু রাণীখেত রোগের ইংরেজি নাম কেউ জানেনা। অ্যান্জেল পলাশ কইলো: এইটা আর কঠিন কি? রাণী মানে কুইন, খেত মানে ফিল্ড আর রোগ মানে ডিজিজ। সো পুরাটা করলে দাড়ায় - কুইন ফিল্ড ডিজিজ। ব্যাপারটা সবার খুব পছন্দ হইলো। ড্যান্সিং মোরশেদ কইলো: সব তো ঠিক কিন্তু শহিদ ভায়া'র এই রোগ হইলো কেমতে? গাজি মামা উত্তর দিলো: এই রোগের কারন হইলো অপরিস্কার থাকা। একটা মুরগি থেকে আরেকটাতে হয়। কিন্তু, আমাদের শহিদ ভায়া তো রেগুলার গোসল করে। অমনি মানিক চান্দ কইলো: আরে শহিদ ভায়ার মুরগি থেইক্যা হইসে। একবার সে কইসিলো কনট্রল করতে না পাইরা ছোটোবেলায় সে একবার একটা ডিম পাড়া মুরগি রে ......... ................................
আড্ডার টাইমে জামান হোটেলে গিয়া দেখি কোণার টেবিলে বইস্যা চেয়ারের উপরে এক ঠেংগ তুইল্যা শহিদ ভায়া ধুমসে গোরুর মাংস দিয়া পরোটা মারতাসে। আমার লগে লগে দেখি ড্যান্সিং মোরশেদ, অ্যান্জেল পলাশ, চান্দি মানিক আর লতা ফারমানও হাজির। সবাই তো হেভী টাসকি খাইসে। চান্দি মানিক যারে আবার আমরা আদর কইরা CNG কইয়া ডাকি কারণ সে ইন্জিনিয়ার বইলা নামের আগে ENG. লেখে। সে কইলো: শহিদ ভায়া, তুমার পকেটে হালায় অন্যদিন দুই টেকা থাকেনা, আইজকা হালায় গোস্ত, পরটা কোপাও। শহিদ ভায়া বড় দূঃখ কইরা কইলো: মনটা বড় খারাপ। আসে। হালার ডাক্তারের কাসে গেসিলাম, বড় কাহিল লাগে বইল্লা। ডাক্তার আমারে ১২টা টেস্ট দিসে কিসসু পাই নাই। মনে হয় জটিল কিসু হইসে নইলে এতো টেস্টের পরও কিসু পাইবোনা কেন। তাই মনের দূঃখে গোস্ত, পরটা খাই। শুইন্যা মাথার মধ্য কেমুন জানি একটা জাটকা দিয়া উঠল। এই না হইলে আমাগো শহিদ ভায়া, মাইনষে মনের দূঃখে খারাপ কত কিসু করে। আর আমাগো শহিদ ভায়া মনের দূঃখে গোস্ত, পরটা চাবায়। কি গঠনমূলক চিন্তা! এর মাঝে আবার গাজি মামা হাজির। সে আবার মেডিকেলে দুইবার অ্যাডমিশন টেস্ট দিসে বইল্লা লেম্পু ডাক্তার হিসাবে নাম করসে। এইবার গাজি মামা শুরু করলো কেরামতি। জিগাইলো: আইচ্ছা শহিদ ভায়া, তোর কেমুন কেমুন লাগে? শহিদ ভায়া কইলো: আমার দূর্বল লাগে তাই খালি ঝিমাই। লগে লগে CNG তার চান্দি মাথায় হাত বুলাইতে বুলাইতে কয়: হ আমি দেখসি। হে টেম্পুর ভিতরেও ঝিমায়। তারে অফ্ করাইয়া কইলাম: আরে CNG, এখন দেশ ও জাতির কঠিন অবস্হা। শহিদ ভায়া'র কিসু হইলে দেশ ও জাতি একটা আইটেম হারাইবে। তুই আল্লাহর ওয়াস্তে অফ্ যা। এরপরে গাজি মামা আবার শহিদ ভায়ারে জিগাইলো: আর কেমুন লাগে? শহিদ ভায়া কয়: পায়খানা রেগুলার না। গাজি মামারে বড় চিন্তিত মনে হইল। কিসু সময় চিন্তা কইরা গাজি মামা ক্য়: শহিদ ভায়া, আমার মনে হয় তোর মেডিসিনের ডাক্তারের কাসে না গিয়া ভেটেনারি ডাক্তারের কাসে যাওয়া উচিত। কেননা, তোর রাণীখেত রোগ হইসে।(বাহবা গাজি মামা, মানুষের রাণীখেত রোগ আবিষ্কারের জন্য নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য।) শুইন্যাই সবার মাথার তারে টুংটাং কইরা উঠল। কইলাম: কি মামা এইটা আবার কি আবিষ্কার করলা? মামা কইলো: আরে রোগের কারন ও লকখন দেখলে তো এইটা ক্লিয়ার। রাণীখেত রোগ হইলে আক্রান্ত রোগী ঝিমায়, চুনা পায়খানা করে। তো শাহিদের রোগের লগে মিল আছে। তাই ওর রাণীখেত রোগ হইসে। এইবার লতা ফারমান কইলো: এইটা তো মানুষের জন্য একটা বিরল রোগ। মনে হয় বহুত টেকা পয়সা লাগবো। তাইলে আমরা বিরল রোগী শহিদ ভায়া'র জন্য ফান্ড জোগাড় করি। পেপারে এড দিমু " বিরল রাণীখেত রোগে আক্রান্ত শহিদ ভায়া'কে বাচাতে এগিয়ে আসুন" চান্দি মানিক কইলো: রাণীখেত রোগ কতাডা কেমুন জানি লাগে। এইটার ইংরেজি নাম দিলে ভালা হয়। কিন্তু রাণীখেত রোগের ইংরেজি নাম কেউ জানেনা। অ্যান্জেল পলাশ কইলো: এইটা আর কঠিন কি? রাণী মানে কুইন, খেত মানে ফিল্ড আর রোগ মানে ডিজিজ। সো পুরাটা করলে দাড়ায় - কুইন ফিল্ড ডিজিজ। ব্যাপারটা সবার খুব পছন্দ হইলো। ড্যান্সিং মোরশেদ কইলো: সব তো ঠিক কিন্তু শহিদ ভায়া'র এই রোগ হইলো কেমতে? গাজি মামা উত্তর দিলো: এই রোগের কারন হইলো অপরিস্কার থাকা। একটা মুরগি থেকে আরেকটাতে হয়। কিন্তু, আমাদের শহিদ ভায়া তো রেগুলার গোসল করে। অমনি মানিক চান্দ কইলো: আরে শহিদ ভায়ার মুরগি থেইক্যা হইসে। একবার সে কইসিলো কনট্রল করতে না পাইরা ছোটোবেলায় সে একবার একটা ডিম পাড়া মুরগি রে ......... ................................
মোর ফান উইথ শহিদ ভায়া (১৮+ কন্টেন্ট থাকার চান্সআছে)
আবার ও শহিদ ভায়া। এইবার কিন্তু সাবধান কিসু মাল কড়া পড়সে, বুজতাসিনা কেমন হইসে। যাই হউক আল্লাহ ভরসা...............।
১। শহিদ ভায়া, গাজি মামারে জিজ্গাইলো, এই মামা তোর আনডার প্যান্টে ফুটা আছে?
গাজি মামা কইলো, নাই।
শহিদ ভায়া কইলো, হালার হালা তাইলে ঠেং ঢুকাস কোন দিক দিয়া??
২। একদিন দেখি শহিদ ভায়া বেশ ভাব নিয়ে বইসা আছে। একটু আদাবের লগে জিগাইলাম, ভায়া কি এত চিন্তান?
শহিদ ভায়া ওই ভাব রাইখ্খাই কইলো: বুঝলি এককান দামি কতা আবিষ্কার করলাম।
আবার জিগাইলাম, কেয়া বাত ভায়া?
শহিদ ভায়া কয়, যখন কুনো পুরুষ বড়লোক হ্য়, তখন সে দুষ্টু হইয়া যায়, আর যখন কুনু মহিলা দুষ্টু হয়; সে বড়লোক হইয়া যায়।
৩। শহিদ ভায়া একদিন রাস্তা দিয়া যাওয়ার সময় দেখে চান্দি মানিক একটা গর্তে হাত দিয়া কি জানি খুজতাসে। শহিদ ভায়া কয়, কিরে চান্দি কিসু হারাইসে নাকি? চান্দি মানিক কয়, হারাই নায়, তে দেখতাসি হারাইলে পামু কিনা।
(অফ টপিক: চান্দি মানিক কিন্তু ইন্জিনিয়ার। সে নামের আগে লেখে ENG তাই আমরা আদর কইরা ডাকি CNG)
৪। এই শহিদ ভায়া একদিন ঢাকা বেড়াতে গিয়া দেখে, এক মাজারের দেয়ালে লেখা আছে "আপনি কি পাপ করে ক্লান্ত? তাহলে ভিতরে আসুন"
এর নিচে কে জানি লিপস্টিক দিয়া লিখা রাখসে " তা না হলে সামনের বাড়িতে আসুন - মিস জুলি"।
৫। শহিদ ভায়া'র ভটভটিটা দেখি একদিন নাই হইয়া গেসে। জিগাইলাম, কি রে ভায়া তুমার ভটভটি কই? সে কইলো, ধুস শালা অফিস থেইক্যা আসার সময় এক লুকে লিফট চাইসে, আর আমি এইখানে নাইম্যা তারে থ্যানকু দিয়া আসছি।
৬। একবার কিসু বাড়তি পয়সার জন্য শহিদ ভায়া আদম শুমারি করার কাম নিসিলো। এক বাসায় গেসে, এক মহিলা দরজা খুলসে। শহিদ ভায়া জিগায়: ম্যাডাম আপনার বাসায় কয়জন আছে?
ম্যাডাম কয়: আমরা আটজন। আমরা হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুইজন, আমার বড় দুই মেয়ে জমজ - দিবা আর নিশি, মেঝো দুই ছেলে জমজ - ঈমন আর রিমন আর ছোটো দুই জমজ ছেলে - রনি আর সানি।
চোখ কপালে তুইল্যা শহিদ ভায়া জিগায়: ম্যাডাম, আপনার কি প্রতিবারই জমজ হয়?
ম্যাডাম কয়: না। মাঝে মাঝে এমনও হইসে, কিসুই হয় নাই।
অফটপিক: এইখানে ঘটনা সংগ্রিহীত। কিন্তু, চরিত্র কাল্পনিক নহে। যথা জায়গা বরাবর ফিট করিয়া দেওয়া হইয়াছে।
১। শহিদ ভায়া, গাজি মামারে জিজ্গাইলো, এই মামা তোর আনডার প্যান্টে ফুটা আছে?
গাজি মামা কইলো, নাই।
শহিদ ভায়া কইলো, হালার হালা তাইলে ঠেং ঢুকাস কোন দিক দিয়া??
২। একদিন দেখি শহিদ ভায়া বেশ ভাব নিয়ে বইসা আছে। একটু আদাবের লগে জিগাইলাম, ভায়া কি এত চিন্তান?
শহিদ ভায়া ওই ভাব রাইখ্খাই কইলো: বুঝলি এককান দামি কতা আবিষ্কার করলাম।
আবার জিগাইলাম, কেয়া বাত ভায়া?
শহিদ ভায়া কয়, যখন কুনো পুরুষ বড়লোক হ্য়, তখন সে দুষ্টু হইয়া যায়, আর যখন কুনু মহিলা দুষ্টু হয়; সে বড়লোক হইয়া যায়।
৩। শহিদ ভায়া একদিন রাস্তা দিয়া যাওয়ার সময় দেখে চান্দি মানিক একটা গর্তে হাত দিয়া কি জানি খুজতাসে। শহিদ ভায়া কয়, কিরে চান্দি কিসু হারাইসে নাকি? চান্দি মানিক কয়, হারাই নায়, তে দেখতাসি হারাইলে পামু কিনা।
(অফ টপিক: চান্দি মানিক কিন্তু ইন্জিনিয়ার। সে নামের আগে লেখে ENG তাই আমরা আদর কইরা ডাকি CNG)
৪। এই শহিদ ভায়া একদিন ঢাকা বেড়াতে গিয়া দেখে, এক মাজারের দেয়ালে লেখা আছে "আপনি কি পাপ করে ক্লান্ত? তাহলে ভিতরে আসুন"
এর নিচে কে জানি লিপস্টিক দিয়া লিখা রাখসে " তা না হলে সামনের বাড়িতে আসুন - মিস জুলি"।
৫। শহিদ ভায়া'র ভটভটিটা দেখি একদিন নাই হইয়া গেসে। জিগাইলাম, কি রে ভায়া তুমার ভটভটি কই? সে কইলো, ধুস শালা অফিস থেইক্যা আসার সময় এক লুকে লিফট চাইসে, আর আমি এইখানে নাইম্যা তারে থ্যানকু দিয়া আসছি।
৬। একবার কিসু বাড়তি পয়সার জন্য শহিদ ভায়া আদম শুমারি করার কাম নিসিলো। এক বাসায় গেসে, এক মহিলা দরজা খুলসে। শহিদ ভায়া জিগায়: ম্যাডাম আপনার বাসায় কয়জন আছে?
ম্যাডাম কয়: আমরা আটজন। আমরা হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুইজন, আমার বড় দুই মেয়ে জমজ - দিবা আর নিশি, মেঝো দুই ছেলে জমজ - ঈমন আর রিমন আর ছোটো দুই জমজ ছেলে - রনি আর সানি।
চোখ কপালে তুইল্যা শহিদ ভায়া জিগায়: ম্যাডাম, আপনার কি প্রতিবারই জমজ হয়?
ম্যাডাম কয়: না। মাঝে মাঝে এমনও হইসে, কিসুই হয় নাই।
অফটপিক: এইখানে ঘটনা সংগ্রিহীত। কিন্তু, চরিত্র কাল্পনিক নহে। যথা জায়গা বরাবর ফিট করিয়া দেওয়া হইয়াছে।
সেরা পোষাকের বিমানবালা
MSN জরিপে সেরা দশটি পোষাকধারি বিমান যাত্রিদের ভোটের ভিত্তিতে বিমানবালার পোষাকের একটা রেটিং করা হয়েছে। অবশ্য এতে ইউরোপের বিমান যাত্রিরা ভোট প্রদান করেছে বেশি। তাই ইউরোপিয়ান বিমানের আধিক্য বেশি। এই জরিপে পোষাকের রং ও ডিজাইন প্রাধান্য পেয়েছে।
১০. লুতফানসা (Lufthansa):
এটি জামানির বিমান সংস্হা।
৯. জেট এয়ার (Jet Air):
এটি ভারতের বিমান সংস্হা।
৮. এরোফ্লোট (Aeroflot):
এটি রাশিয়ান বিমান সংস্হা।
৭. ডেলটা (Delta):
এটি আমেরিকার বিমান সংস্হা।
৬. সাস অথবা স্যাস (SAS):
এটি সুইডিশ বিমান সংস্হা।
৫. আলইটালিয়া (Alitalia):
এটি ইতালির বিমান সংস্হা।
৪. আইবেরিয়া (Iberia):
এটি আইবেরিয়ান বিমান সংস্হা।
৩. ব্রিটিশ এয়ার (British Airways):
এটি ইংল্যান্ডের বিমান সংস্হা।
২. এয়ার ফ্রান্স (Air France):
এটি ফ্রান্সের বিমান সংস্হা।
১. এবং সবচেয়ে সেরা পোষাকের বিমানবালা:
কাতার এয়ার (Qatar Air):
এটি কাতারের বিমান সংস্হা।
১০. লুতফানসা (Lufthansa):
এটি জামানির বিমান সংস্হা।
৯. জেট এয়ার (Jet Air):
এটি ভারতের বিমান সংস্হা।
৮. এরোফ্লোট (Aeroflot):
এটি রাশিয়ান বিমান সংস্হা।
৭. ডেলটা (Delta):
এটি আমেরিকার বিমান সংস্হা।
৬. সাস অথবা স্যাস (SAS):
এটি সুইডিশ বিমান সংস্হা।
৫. আলইটালিয়া (Alitalia):
এটি ইতালির বিমান সংস্হা।
৪. আইবেরিয়া (Iberia):
এটি আইবেরিয়ান বিমান সংস্হা।
৩. ব্রিটিশ এয়ার (British Airways):
এটি ইংল্যান্ডের বিমান সংস্হা।
২. এয়ার ফ্রান্স (Air France):
এটি ফ্রান্সের বিমান সংস্হা।
১. এবং সবচেয়ে সেরা পোষাকের বিমানবালা:
কাতার এয়ার (Qatar Air):
এটি কাতারের বিমান সংস্হা।
Monday, 4 October 2010
হাফ ডজন ফান উইথ শহিদ ভায়া (পি.জি)
১) শহিদ ভায়া ভর-দুপুরে একটা যুবতি মেয়েকে প্রকাশ্য চোখ মারসে। কিন্তু, মাগার কেউ কিসু বুঝে নাই। কেনো??? কারণ কি??
কারণ শহিদ ভায়া সানগ্লাস পড়া আছিলো।
২) একবার শহিদ ভায়া'র টেকা-পয়সার খুব টানাটানি। মনের দুঃসখে শহিদ ভায়া রাস্তায় গিয়া গান করতাসে "নিশি রাত, বেকা চাদ আকাশে......................"। একজন কইলো: কি রে ভাই চোখে দেখতাসেন না? দিনে-দুপুরে আকাশে নিশি রাত, বেকা চাদ পাইলেন কই? শহিদ ভায়া কইলো: বুঝছেন যখন দেখতাসি না, তাইলে ৫টা টেকা দিয়া যান।
৩) একদিন গাজি মামা অফিস থেইক্ক্যা আইস্যা দেখে শহিদ ভায়া গাজি মামা'র গালফ্রেন্ডের লগে ইটিশ-পিটিশ করতাসে। গাজি মামা তখোন চেইত্যা কয়: ওরে কি করতাসোস? তখোন গাজি মামা'র গালফ্রেন্ড কইলো: কইসিলাম না মালটার মাথায় কিসু নাই। দেখে আবার জিগায়।
৪) শহিদ ভায়া'র কুনু গালফ্রেন্ড ৩ মাসের বেশি টিকেনা। কারণটা কি? একটা ঘটনা কইলে বুঝবেন।
শহিদ ভায়া'র গালফ্রেন্ড তারে কইলো: ওগো আমাকে একটা লিপস্টিক কিইনা দিবা। ঠোট লাল করুম। শহিদ ভায়া একটা মরিচ আইন্যা কইলো: ভালো মতো এইটা ঘইস্যা নাও। এমনণেই লাল হইয়া যাইবো।
এরপরে কি কুনু মাইয়া এর লগে প্রেম করবো?
৫) একদিন শহিদ ভায়া গেলো মোরশেদের বাড়িতে বেড়াতে। মোরশেদ বললো: জানিস আজকে আমাকে একজন গালাগালি করেছে, আমিও তার বাপ-মা তুলে গালাগালি করেছি।
শহিদ ভায়া জিজ্গাসা করলো: যাহ্! তোর তো অনেক সাহস। তা বাবা কোন হারামজাদা গালাগাল দিয়েছে?
মোরশেদ বললো: কে আবার? আমার ছেলে।
৬) শহিদ ভায়া, গাজি মামা'র গালফ্রেন্ডকে বললো: মামি তোমার ঠোটে একটা হামি খাবো, তার বিনিময়ে আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দিবো। মামি তো রাজি হয়না। শহিদ ভায়া তখন বললো, ঠিক আছে ১০০০ টাকা দিবো। মামি তাতেও রাজি না। এরপর শহিদ ভায়া রেগে গিয়ে বললো, যাও ৫০০০ টাকা দিবো। মামি বললো, ঠিক আছে। তবে ঠোটে কিন্তু একটার বেশি হামি খাওয়া যাবে না। শহিদ ভায়া করলো কি মামির চোখে, নাকে, গালে, হাতে, কপালে ইচ্ছামতো হামি খেয়ে চলে যাচ্ছে। গাজি মামা'র গালফ্রেন্ড বললো কি ব্যাপার? ঠোটে হামি খাবেন না? শহিদ ভায়া বললো: কি করবো মামি বিস্বাস করো গরিবের ছেলে অত টাকা নাই।
কারণ শহিদ ভায়া সানগ্লাস পড়া আছিলো।
২) একবার শহিদ ভায়া'র টেকা-পয়সার খুব টানাটানি। মনের দুঃসখে শহিদ ভায়া রাস্তায় গিয়া গান করতাসে "নিশি রাত, বেকা চাদ আকাশে......................"। একজন কইলো: কি রে ভাই চোখে দেখতাসেন না? দিনে-দুপুরে আকাশে নিশি রাত, বেকা চাদ পাইলেন কই? শহিদ ভায়া কইলো: বুঝছেন যখন দেখতাসি না, তাইলে ৫টা টেকা দিয়া যান।
৩) একদিন গাজি মামা অফিস থেইক্ক্যা আইস্যা দেখে শহিদ ভায়া গাজি মামা'র গালফ্রেন্ডের লগে ইটিশ-পিটিশ করতাসে। গাজি মামা তখোন চেইত্যা কয়: ওরে কি করতাসোস? তখোন গাজি মামা'র গালফ্রেন্ড কইলো: কইসিলাম না মালটার মাথায় কিসু নাই। দেখে আবার জিগায়।
৪) শহিদ ভায়া'র কুনু গালফ্রেন্ড ৩ মাসের বেশি টিকেনা। কারণটা কি? একটা ঘটনা কইলে বুঝবেন।
শহিদ ভায়া'র গালফ্রেন্ড তারে কইলো: ওগো আমাকে একটা লিপস্টিক কিইনা দিবা। ঠোট লাল করুম। শহিদ ভায়া একটা মরিচ আইন্যা কইলো: ভালো মতো এইটা ঘইস্যা নাও। এমনণেই লাল হইয়া যাইবো।
এরপরে কি কুনু মাইয়া এর লগে প্রেম করবো?
৫) একদিন শহিদ ভায়া গেলো মোরশেদের বাড়িতে বেড়াতে। মোরশেদ বললো: জানিস আজকে আমাকে একজন গালাগালি করেছে, আমিও তার বাপ-মা তুলে গালাগালি করেছি।
শহিদ ভায়া জিজ্গাসা করলো: যাহ্! তোর তো অনেক সাহস। তা বাবা কোন হারামজাদা গালাগাল দিয়েছে?
মোরশেদ বললো: কে আবার? আমার ছেলে।
৬) শহিদ ভায়া, গাজি মামা'র গালফ্রেন্ডকে বললো: মামি তোমার ঠোটে একটা হামি খাবো, তার বিনিময়ে আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দিবো। মামি তো রাজি হয়না। শহিদ ভায়া তখন বললো, ঠিক আছে ১০০০ টাকা দিবো। মামি তাতেও রাজি না। এরপর শহিদ ভায়া রেগে গিয়ে বললো, যাও ৫০০০ টাকা দিবো। মামি বললো, ঠিক আছে। তবে ঠোটে কিন্তু একটার বেশি হামি খাওয়া যাবে না। শহিদ ভায়া করলো কি মামির চোখে, নাকে, গালে, হাতে, কপালে ইচ্ছামতো হামি খেয়ে চলে যাচ্ছে। গাজি মামা'র গালফ্রেন্ড বললো কি ব্যাপার? ঠোটে হামি খাবেন না? শহিদ ভায়া বললো: কি করবো মামি বিস্বাস করো গরিবের ছেলে অত টাকা নাই।
শহীদ ভায়া (গৌরচন্দ্রিকা )
জেম সেন হলের একপাশে জটলা করে যেসব বালক ছেলে আড্ডা দিয়ে যাচ্ছে তাদের মাঝে সবচেয়ে লম্বা ঢেঙ্গা ছেলেটা হলো আমাদের শহীদ ভায়। শুকনা লিকলিকে শরীরে বেডপ বড় মাথাটা প্রথমেই নজর কাড়ে। বয়সের তুলনায় লম্বা হওয়ার কারণেই হইতো একটু কুজো হয়ে থাকে। তাই বালক দলের দলনেতা টুটুন নাম দিয়েছে বেকা। তবে বেকা হোক আর বক্র হোক শহীদ ভায়া'র মাথাটা কিন্তু অনেক পরিষ্কার। বরাবরই পরীক্ষায় ভালো ফল করে আর অঙ্কের খাতায় শতকরা ১০০% পাওয়া তার জন্য একেবারে ডাল-ভাত। কিন্তু এই দুষ্ট ছেলেদের জন্য শহীদ ভায়া একটা বিনোদন। কারো বাড়ির গাছের ফল চুরি করার চেয়ে শহীদ ভায়া কে উত্যেক্ত করাই তাদের কাছে মহা আনন্দের বিষয়। পরীক্ষায় ভালো ফল করলে কি হবে শহীদ ভায়া'র মানিসকতা একেবারে শিশুদের মত। কার্টুন দেখে বাচ্চাদের মতো খিক খিক করে হাসে আবার হাটতে হাটতে কোনো শো-রুমে WWF চলতে দেখলে তো কথায় নাই সঠান দাড়িয়ে যাবে দেখার জন্য। এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়া একটা ছেলের এই রকম কান্ড সবাইকে খুব মজা দেয়। তবে শহীদ ভায়ার সব চেয়ে মজার বিষয় হলো কোনো মেয়েকে দেখলে তার সাবেক বলা। কোনো মেয়ে শহীদ ভায়ার দিকে একবার তাকালে পরেরবার শহীদ ভায়ার সাবেক হয়ে যায়। এইনিয়ে বন্ধু মহলে শহীদ ভায়ার বিশাল জনপ্রিয়তা। যদিও শহীদ ভায়া অন্য পাড়ার ছেলে কিন্তু নেতা টুটুনের স্কুলের বন্ধু এবং বিনোদনের পাত্র বলে পাড়ার ছেলেপুলে এমন কি বড় ভাইরাও তাকে বিশেষ পছন্দ করত। তবে ক্রিকেট, ফুটবল যেকোনো খেলায় শহীদ ভায়া অপরিহায্য। মাঠে পানি দিতে লোক লাগবে যে. তবে মাঝে মাঝে অন্যর অনুপস্থিতিতে সেরা দলে সুযোগ পেত না এমন না। সিনিয়র/জুনিয়র সবার সাথে মারামারি করা ছিল তার নিয়মিত কাজ। তবে জুনিয়রদের সাথে মারামারি করাটা তার বন্ধুদের মাঝে মাঝে খুব বিব্রত করত।আর অধিকাংসো মারামারি কিনবা ঝগড়া করত অতি ঠুনকো কারণেই।
এই হলো শহীদ ভায়ার গৌরচন্দ্রিকা. পরবর্তিতে শহীদ ভায়া'র যৌবনের কাহিনী প্রকাশ করা হবে. এই শহীদ ভায়া কিন্তু এখনো ছোট্ট শিশুর মতই. কেরাম নাটকে সবাই যেমন মোশারফ করিম কে নিয়ে মজা করত তেমনি এখনো শহীদ ভায়া কে নিয়ে তার বন্ধুরা মজা করে. যা পরের কাহিনীতে প্রকাশ হবে. আজ এত টুকুই ...................
এই হলো শহীদ ভায়ার গৌরচন্দ্রিকা. পরবর্তিতে শহীদ ভায়া'র যৌবনের কাহিনী প্রকাশ করা হবে. এই শহীদ ভায়া কিন্তু এখনো ছোট্ট শিশুর মতই. কেরাম নাটকে সবাই যেমন মোশারফ করিম কে নিয়ে মজা করত তেমনি এখনো শহীদ ভায়া কে নিয়ে তার বন্ধুরা মজা করে. যা পরের কাহিনীতে প্রকাশ হবে. আজ এত টুকুই ...................
Thursday, 30 September 2010
বিখ্যাত ব্যক্তিদের রসাল ঘটনা
লেখক প্রেমেন্দ্র মিত্র তখন চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর নতুন একটা ছবি মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু ওই ছবির কাহিনী নিয়ে কথা উঠেছে। বুদ্ধদেব গুহ পত্রিকায় বিবৃতি দিয়েছেন যে কাহিনীটি তাঁর, প্রেমেন্দ্র মিত্র যা নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। সবাই উদগ্রীব, প্রেমেন্দ্র মিত্র এখন কী বলেন! কিন্তু প্রেমেন্দ্র মিত্র কিছু বলছেন না। কদিন পর প্রেমেন্দ্র মিত্র বিবৃতি দিলেন। তিনি বললেন, ‘চলচ্চিত্রের কাহিনীটি আমার না সেটা সত্যি, তবে বুদ্ধদেব গুহ যেখান থেকে গল্পটি নিয়েছে, আমিও ওই একই জায়গা থেকে নিয়েছি।’
আদার হাজারো গুণ
‘আদাজল খেয়ে লাগা’ বলে একটা প্রবাদ আছে বাংলা ভাষায়। আদার সমৃদ্ধ খাদ্যমানের কারণেই বিজ্ঞজনেরা এই প্রবাদ প্রচলন করেছিলেন, সন্দেহ নেই। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাদ্যতালিকায় আদা একটি অত্যাবশ্যকীয় নাম। রসুইঘর থেকে শুরু করে খেলার মাঠ—সবখানেই বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের শরীরের একাধিক চাহিদা পূরণ করে আসছে এই খাদ্য উপকরণটি। একটু ঠান্ডা লেগে গেলে কিংবা খেলার মাঝে হাঁপিয়ে উঠলে আদা চাই। আদা চাই গরম এক কাপ চায়ের মধ্যে অথবা যেকোনো রান্নায়। মাটির নিচে জন্ম নেওয়া এই মসলাজাতীয় খাবারটিতে আছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। আছে যথেষ্ট পরিমাণ আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফরফরাসের মতো খনিজ পদার্থ। এ ছাড়া সামান্য পরিমাণে হলেও আছে সোডিয়াম, জিংক ও ম্যাঙ্গানিজ।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আদা থাকলে যেকোনো ধরনের ঠান্ডাসংক্রান্ত রোগবালাই ও হাঁপানির আশঙ্কা থাকে না বললেই চলে। এ ছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাকস্থলীর অনেক সমস্যা থেকেও রেহাই মেলে আদা সেবনে। এ ছাড়া সকালে উঠলে অনেকেরই শরীর ম্যাজম্যাজ করে, কিংবা দুর্বল বোধ করেন। এ ক্ষেত্রেও আদা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রেও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে আদা। এ ছাড়া চুল পড়া রোধেও তা বেশ কাজে দেয়। ভিটামিন ‘ই’, ‘এ’, ‘বি৬’ এবং ‘সি’র পরিমাণও কম নয় আদার মধ্যে। এ ছাড়া রক্তের প্লাটিলেট ও কার্ডিওভাসকুলার কার্যক্রম ঠিক রাখতেও তা দারুণ কার্যকর।
মাহফুজ রহমান
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আদা থাকলে যেকোনো ধরনের ঠান্ডাসংক্রান্ত রোগবালাই ও হাঁপানির আশঙ্কা থাকে না বললেই চলে। এ ছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাকস্থলীর অনেক সমস্যা থেকেও রেহাই মেলে আদা সেবনে। এ ছাড়া সকালে উঠলে অনেকেরই শরীর ম্যাজম্যাজ করে, কিংবা দুর্বল বোধ করেন। এ ক্ষেত্রেও আদা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রেও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে আদা। এ ছাড়া চুল পড়া রোধেও তা বেশ কাজে দেয়। ভিটামিন ‘ই’, ‘এ’, ‘বি৬’ এবং ‘সি’র পরিমাণও কম নয় আদার মধ্যে। এ ছাড়া রক্তের প্লাটিলেট ও কার্ডিওভাসকুলার কার্যক্রম ঠিক রাখতেও তা দারুণ কার্যকর।
মাহফুজ রহমান
আকাশে ২৬ ঘণ্টা উড়ল সৌরশক্তি-চালিত বিমান
সেদিন আর দূরে নেই, যেদিন রাস্তায় গাড়ি চালাতে, আকাশে বিমান ওড়াতে কোনো জ্বালানি তেল লাগবে না। জ্বালানি তেল ছাড়াই দিব্যি দেখা যাবে, পাখা মেলে আকাশে উড়ছে উড়োজাহাজ, রাস্তায় চলছে মোটরগাড়ি। ইতিমধ্যেই সেই স্বপ্নের প্রাথমিক মহড়া সেরে ফেলেছে সুইজারল্যান্ডের একটি বিমান সংস্থা।
কিছুদিন আগে জ্বালানি ছাড়াই ২৬ ঘণ্টা আকাশে উড়েছে সুইজারল্যান্ডের একটি সৌরবিমান। এটি ২৬ ঘণ্টা সফলভাবে আকাশে ওড়ার পর মাটিতে অবতরণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, ওই বিমানটির ২৬ ঘণ্টার যাত্রায় একফোঁটা জ্বালানি তেলও ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়নি। বিমানটিতে মাত্র একজনের বসার জায়গা ছিল।
তবে এর উদ্ভাবকেরা বলছেন, এখানে পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি এবং বিমান তৈরির জন্য খুবই হালকা পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিমানের পরিবহনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। যে বিমানটির কথা এতক্ষণ বলছিলাম, তার নাম সোলার এমপাল। কীভাবে কাজ করে এটি?
বিমানটির ওজন সাধারণ একটি মোটরগাড়ির সমান। ডানাজোড়া অবশ্য জাম্বো জেটের সমান—আকারে ৬০ মিটার, যেগুলো সৌর প্যানেল দ্বারা আবৃত। একটি-দুটি নয়, ১২ হাজার সৌরকোষ দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছে একে, যেগুলো সূর্যের আলো থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করে এবং বিমানটি আকাশে ভেসে থাকার প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। একটি স্কুটারের সমান শক্তি নিয়ে চলছে বিমানটি। বিবিসির পরিবেশবিষয়ক সাংবাদিক রজার হারমিন বলেন, বিমানটি সফলভাবে উড়ে নেমে আসতে পেরেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি উড়তে শুরু করার আগে ব্যাটারিতে যে পরিমাণ শক্তি ছিল, এরচেয়ে বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ফেরত এসেছে। আর সে কারণে এর উদ্ভাবকেরা বলছেন, আক্ষরিক অর্থে এটি পৃথিবীর মধ্যে প্রথম, যেখানে একটি সৌরবিমান সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেছে। সৌরবিমান হিসেবে এটি সবচেয়ে বেশি উঁচুতে উঠেছে এবং বেশি সময় ধরে উড়েছে—প্রায় ২৬ ঘণ্টা।
বিমানটি সূর্যের আলোর শক্তিতে চলে। রাতের বেলায় বা মেঘলা দিনে এটি কীভাবে চলে? যে বিমানের কথা লেখা হচ্ছে, সেটি একটি সপ্তাহের বুধবার থেকে উড়তে শুরু করে সূর্যের সঙ্গে সঙ্গে উড়েছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে বিমানটি সারা দিন উড়ে রেকর্ড করে। তবে এবার বিমানটির সামনে যে চ্যালেঞ্জ ছিল, তা হলো উড়তে উড়তে রাতের জ্বালানি সংগ্রহ করা এবং অন্তত ২৪ ঘণ্টার জ্বালানি সংগ্রহে রাখা। নামার পরে এটিকে আবার উড়তে হবে, এই পরিমাণ জ্বালানি মজুদ রাখতে হবে। এটি তা করতে পেরেছে। বলা যায়, একটু বেশিই পেরেছে। অন্যদিকে বিমানের চালককে কিন্তু জেগে থাকতে হয়েছে পুরো ২৬ ঘণ্টা।
বৈমানিকের জন্য এটি ছিল ঝামেলার ব্যাপার। কারণ তাঁকে ২৬ ঘণ্টার বেশি জেগে থাকতে হয়েছে। যদি তিনি সেটা না করতে পারতেন, তাহলে তাঁর মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল। কন্ট্রোল রুম থেকে বিভিন্নভাবে বৈমানিকের ওপর নজর রাখতে হয়েছে। টেলিমিটারি ও ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে যেমন তাঁর ওপর নজর রাখা হচ্ছিল, তেমনি প্রতি মুহূর্তে দেখা হয়েছে, তিনি কী পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করেছেন। পুরো ব্যাপারটি ছিল এমন, যা পুরোপুরি মহাকাশ অভিযাত্রার মতো এবং এটি খুবই বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণভাবে করা হয়েছে। এদিকে বিমানটি যখন নামার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে, রানওয়ের চারপাশে উশখুশ করা মানুষেরা উল্লাস করেছে এবং করতালি দিয়ে স্বাগত জানিয়েছে।
তাহলে কি বিমানযাত্রার নতুন ইতিহাস লেখার সময় হলো? সেটি বলা যায় বটে! তাই বলে খুব তাড়াতাড়ি আপনি ওই বিমানে একটি টিকিট কেটে চড়ে বসতে পারছেন এমন নয়। এই বিমান যাঁরা তৈরি করেছেন, তাঁরা এটি প্রমাণ করেছেন যে একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও স্বপ্ন থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।
এই প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ব্যাটকান পিটার বলেন, ‘এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করতে আমরা বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার করতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘এই সফলতা আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে। আমরা যদি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে চাই, আমরা যদি একটি স্থিতিশীল অর্থনীতি তৈরি করতে চাই, আমরা যদি একটি স্থিতিশীল বিশ্ব তৈরি করতে চাই এবং আমরা যদি ভবিষ্যতের পৃথিবীর মানুষকে কাজ দিতে চাই, তাহলে উচিত হবে এই পরিবেশবান্ধব বিষয়গুলো কাজে লাগানো। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর আমাদের যে নির্ভরশীলতা আছে তা কমিয়ে আনতে এসব প্রদ্ধতি সাহায্য করবে। আর এ জন্যই আমাদের এতকিছু করা।’
সামনের দিনগুলো
এই বিমানের সঙ্গে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা বলছেন, এরপর তাঁরা আটলান্টিকের ওপর দিয়ে চালাতে চান এই বিমান। আর আগামী তিন বছর পর যখন সৌরশক্তি আরও নিখুঁতভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাওয়া যাবে, তখন তাঁরা এমন একটি বিমানে চড়ে সারা পৃথিবী ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন।
কিছুদিন আগে জ্বালানি ছাড়াই ২৬ ঘণ্টা আকাশে উড়েছে সুইজারল্যান্ডের একটি সৌরবিমান। এটি ২৬ ঘণ্টা সফলভাবে আকাশে ওড়ার পর মাটিতে অবতরণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, ওই বিমানটির ২৬ ঘণ্টার যাত্রায় একফোঁটা জ্বালানি তেলও ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়নি। বিমানটিতে মাত্র একজনের বসার জায়গা ছিল।
তবে এর উদ্ভাবকেরা বলছেন, এখানে পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি এবং বিমান তৈরির জন্য খুবই হালকা পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিমানের পরিবহনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। যে বিমানটির কথা এতক্ষণ বলছিলাম, তার নাম সোলার এমপাল। কীভাবে কাজ করে এটি?
বিমানটির ওজন সাধারণ একটি মোটরগাড়ির সমান। ডানাজোড়া অবশ্য জাম্বো জেটের সমান—আকারে ৬০ মিটার, যেগুলো সৌর প্যানেল দ্বারা আবৃত। একটি-দুটি নয়, ১২ হাজার সৌরকোষ দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছে একে, যেগুলো সূর্যের আলো থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করে এবং বিমানটি আকাশে ভেসে থাকার প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। একটি স্কুটারের সমান শক্তি নিয়ে চলছে বিমানটি। বিবিসির পরিবেশবিষয়ক সাংবাদিক রজার হারমিন বলেন, বিমানটি সফলভাবে উড়ে নেমে আসতে পেরেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি উড়তে শুরু করার আগে ব্যাটারিতে যে পরিমাণ শক্তি ছিল, এরচেয়ে বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ফেরত এসেছে। আর সে কারণে এর উদ্ভাবকেরা বলছেন, আক্ষরিক অর্থে এটি পৃথিবীর মধ্যে প্রথম, যেখানে একটি সৌরবিমান সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেছে। সৌরবিমান হিসেবে এটি সবচেয়ে বেশি উঁচুতে উঠেছে এবং বেশি সময় ধরে উড়েছে—প্রায় ২৬ ঘণ্টা।
বিমানটি সূর্যের আলোর শক্তিতে চলে। রাতের বেলায় বা মেঘলা দিনে এটি কীভাবে চলে? যে বিমানের কথা লেখা হচ্ছে, সেটি একটি সপ্তাহের বুধবার থেকে উড়তে শুরু করে সূর্যের সঙ্গে সঙ্গে উড়েছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে বিমানটি সারা দিন উড়ে রেকর্ড করে। তবে এবার বিমানটির সামনে যে চ্যালেঞ্জ ছিল, তা হলো উড়তে উড়তে রাতের জ্বালানি সংগ্রহ করা এবং অন্তত ২৪ ঘণ্টার জ্বালানি সংগ্রহে রাখা। নামার পরে এটিকে আবার উড়তে হবে, এই পরিমাণ জ্বালানি মজুদ রাখতে হবে। এটি তা করতে পেরেছে। বলা যায়, একটু বেশিই পেরেছে। অন্যদিকে বিমানের চালককে কিন্তু জেগে থাকতে হয়েছে পুরো ২৬ ঘণ্টা।
বৈমানিকের জন্য এটি ছিল ঝামেলার ব্যাপার। কারণ তাঁকে ২৬ ঘণ্টার বেশি জেগে থাকতে হয়েছে। যদি তিনি সেটা না করতে পারতেন, তাহলে তাঁর মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল। কন্ট্রোল রুম থেকে বিভিন্নভাবে বৈমানিকের ওপর নজর রাখতে হয়েছে। টেলিমিটারি ও ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে যেমন তাঁর ওপর নজর রাখা হচ্ছিল, তেমনি প্রতি মুহূর্তে দেখা হয়েছে, তিনি কী পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করেছেন। পুরো ব্যাপারটি ছিল এমন, যা পুরোপুরি মহাকাশ অভিযাত্রার মতো এবং এটি খুবই বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণভাবে করা হয়েছে। এদিকে বিমানটি যখন নামার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে, রানওয়ের চারপাশে উশখুশ করা মানুষেরা উল্লাস করেছে এবং করতালি দিয়ে স্বাগত জানিয়েছে।
তাহলে কি বিমানযাত্রার নতুন ইতিহাস লেখার সময় হলো? সেটি বলা যায় বটে! তাই বলে খুব তাড়াতাড়ি আপনি ওই বিমানে একটি টিকিট কেটে চড়ে বসতে পারছেন এমন নয়। এই বিমান যাঁরা তৈরি করেছেন, তাঁরা এটি প্রমাণ করেছেন যে একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও স্বপ্ন থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।
এই প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ব্যাটকান পিটার বলেন, ‘এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করতে আমরা বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার করতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘এই সফলতা আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে। আমরা যদি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে চাই, আমরা যদি একটি স্থিতিশীল অর্থনীতি তৈরি করতে চাই, আমরা যদি একটি স্থিতিশীল বিশ্ব তৈরি করতে চাই এবং আমরা যদি ভবিষ্যতের পৃথিবীর মানুষকে কাজ দিতে চাই, তাহলে উচিত হবে এই পরিবেশবান্ধব বিষয়গুলো কাজে লাগানো। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর আমাদের যে নির্ভরশীলতা আছে তা কমিয়ে আনতে এসব প্রদ্ধতি সাহায্য করবে। আর এ জন্যই আমাদের এতকিছু করা।’
সামনের দিনগুলো
এই বিমানের সঙ্গে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা বলছেন, এরপর তাঁরা আটলান্টিকের ওপর দিয়ে চালাতে চান এই বিমান। আর আগামী তিন বছর পর যখন সৌরশক্তি আরও নিখুঁতভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাওয়া যাবে, তখন তাঁরা এমন একটি বিমানে চড়ে সারা পৃথিবী ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন।
বিবিসি বাংলা
অহেতুক কৌতুক
চিকিৎসক তাঁর রোগীকে হার্টের পরীক্ষা করাতে দিয়েছেন প্রায় গোটা পাঁচেক। রোগী সব পরীক্ষা সেরে রিপোর্ট নিয়ে এল চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে। চিকিৎসক রিপোর্ট দেখে বললেন, ‘নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি যত দিন বাঁচবেন, আপনার হার্ট তত দিন ঠিকঠাক কাজ করে যাবে।’
প্রথম বন্ধু: তোর বউ শেষ পর্যন্ত ড্রাইভারের সঙ্গে চলে গেল? ভাবতেই খারাপ লাগছে!
দ্বিতীয় বন্ধু: আরে তাতে কী? বিপদের কথা ভেবে আমি আগেভাগেই ড্রাইভারের কাছ থেকে গাড়ি চালানোটা শিখে রেখেছি।
প্রথম বন্ধু: পা খোঁড়া কুকুরকে কী বলে ডাকা যায়?
দ্বিতীয় বন্ধু: যা খুশি ডাক, তাতে কিছু যায়-আসে না, ডাক শুনে ও তো আর চার পায়ে দৌড়ে চলে আসবে না।
# উকিল: গাড়িটা যখন অ্যাকসিডেন্ট করল, তখন আপনি কত দূরে ছিলেন?
সাক্ষী: ৩০ ফুট ১১ ইঞ্চি দূরে ছিলাম।
উকিল: এত নিখুঁত মাপ বলছেন কী করে?
সাক্ষী: জানতাম, কোনো একটা বেকুব আমাকে এই প্রশ্নটা করবেই।
# পুলিশ সার্জেন্ট: আপনাদের গাড়ির কোনো হেডলাইট নেই, দুই পাশের আয়না ভাঙা, হর্ন নেই, জানালার কাচ ভাঙা, ব্যাকলাইট নষ্ট, ব্রেক ধরে না, আপনারা কেউই সিটবেল্ট বাঁধেননি, তার পরও এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছেন... বিষয়টা কী?
ড্রাইভার: স্যার, আমার কোনো দোষ নেই, সব দোষ এই ব্যাটার। ওরে আমি আগেই কইছিলাম, এই ভাঙাচোরা গাড়ি চুরি করার কোনো দরকার নেই।
# বাড়ির মালিক: তোমাকে যে নাইটগার্ডের চাকরি দেব, তোমার যোগ্যতাটা কী, শুনি?
নাইটগার্ড: আমি, স্যার, সামান্য গোলমালেই জেগে উঠি।
প্রথম বন্ধু: তোর বউ শেষ পর্যন্ত ড্রাইভারের সঙ্গে চলে গেল? ভাবতেই খারাপ লাগছে!
দ্বিতীয় বন্ধু: আরে তাতে কী? বিপদের কথা ভেবে আমি আগেভাগেই ড্রাইভারের কাছ থেকে গাড়ি চালানোটা শিখে রেখেছি।
প্রথম বন্ধু: পা খোঁড়া কুকুরকে কী বলে ডাকা যায়?
দ্বিতীয় বন্ধু: যা খুশি ডাক, তাতে কিছু যায়-আসে না, ডাক শুনে ও তো আর চার পায়ে দৌড়ে চলে আসবে না।
# উকিল: গাড়িটা যখন অ্যাকসিডেন্ট করল, তখন আপনি কত দূরে ছিলেন?
সাক্ষী: ৩০ ফুট ১১ ইঞ্চি দূরে ছিলাম।
উকিল: এত নিখুঁত মাপ বলছেন কী করে?
সাক্ষী: জানতাম, কোনো একটা বেকুব আমাকে এই প্রশ্নটা করবেই।
# পুলিশ সার্জেন্ট: আপনাদের গাড়ির কোনো হেডলাইট নেই, দুই পাশের আয়না ভাঙা, হর্ন নেই, জানালার কাচ ভাঙা, ব্যাকলাইট নষ্ট, ব্রেক ধরে না, আপনারা কেউই সিটবেল্ট বাঁধেননি, তার পরও এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছেন... বিষয়টা কী?
ড্রাইভার: স্যার, আমার কোনো দোষ নেই, সব দোষ এই ব্যাটার। ওরে আমি আগেই কইছিলাম, এই ভাঙাচোরা গাড়ি চুরি করার কোনো দরকার নেই।
# বাড়ির মালিক: তোমাকে যে নাইটগার্ডের চাকরি দেব, তোমার যোগ্যতাটা কী, শুনি?
নাইটগার্ড: আমি, স্যার, সামান্য গোলমালেই জেগে উঠি।
লুই আই কানের কিছু বিখ্যাত কাজ
# ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় আর্ট গ্যালারি—নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট (১৯৫১—৫৩)
# রিচার্ড মেডিকেল রিসার্চ ল্যাবরেটরি— পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ফিলাডেলফিয়া (১৯৫৭—৬৫)
# সল্ক ইনস্টিটিউট—লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়া (১৯৫৯—৬৫)
# প্রথম ইউনিটারিয়ান চার্চ—রোচেস্টার, নিউইয়র্ক (১৯৫৯—৬৯)
# ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট— আহমেদাবাদ, ইন্ডিয়া (১৯৬২)
# ফিলিপ্স একাডেমি লাইব্রেরি—এক্সিটর, নিউ হ্যাম্পশায়ার (১৯৬৫—৭২)
# কিম্বেল আর্ট জাদুঘর—ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাস (১৯৬৬—৭২)
# ইয়েল সেন্টার ফর ব্রিটিশ আর্ট—ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট (১৯৬৯—৭৪)
স্থপতি লুই কান ও সংসদ ভবন
আমাদের জাতীয় সংসদ ভবন। স্থাপত্যের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘মাস্টার পিস’—বিশ্বের সেরা কয়েকটি স্থাপত্যের একটি। এটি আমদের গর্ব। আমাদের অহংকার ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। আর এই বিশ্বসেরা স্থাপত্য যাঁর হাত ধরে সৃষ্টি, তিনি হলেন বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুইস আই কান বা লুই আই কান। লুই কানের জন্ম ১৯০১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রাশিয়ার এস্তোনিয়ায়।
১৯২৪ সালে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুই কান স্নাতক ডিগ্রি নেন। তারপর ঘুরে বেড়ান পৃথিবীর নানা প্রান্তে। কাজ করেন জন মলিটর, জর্জ হুই, অস্কার স্টনোরোভর মতো তৎকালীন নামকরা স্থপতিদের সঙ্গে। প্রথম দিকে লুই কান আন্তর্জাতিক মানের কাজ করলেও তাঁর নিজস্ব কোনো স্টাইল ছিল না। বয়স ৫০ পেরোনোর পর তিনি শুরু করেন সম্পূর্ণ নিজের ধরনের কাজ। জন্ম দেন একের পর এক নামকরা স্থাপত্য, যার শেষের দিকের নিদর্শন আমাদের সংসদ ভবন। যে স্থাপত্য লুই কানকে স্থান দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। বাংলাদেশের তো বটেই, বিশ্বেরও।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে। এটিকে তখন পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ ভবন হিসেবে ভাবা হয়েছিল। স্বাধীনতার পর তা পরিণত হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনে। ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হয় এর নির্মাণকাজ। একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম ও শেষ অধিবেশনে হয় এর উদ্বোধন। লুই কান এই বিশ্বসেরা স্থাপত্যের স্থপতি হলেও সর্বপ্রথম এই জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। বড় মাপের মানুষের মনও যে বড় হয়, স্থপতি মাজহারুল ইসলাম তা আবারও প্রমাণ করেছেন। তিনি ছিলেন লুই কানের প্রিয় ছাত্রদের একজন। তিনিই লুই কানকে এ দেশে এনেছিলেন এবং সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব নিতে বলেছিলেন। তাঁর প্রিয় শিক্ষকই পারবেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু করতে—এই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে জাতীয় সংসদ ভবনের মতো একটি বিশ্বসেরা স্থাপত্য।
সংসদ ভবনের পুরো কমপ্লেক্সের নকশাটিই লুই কানের করা। কমপ্লেক্সের ঠিক মাঝখানে স্থাপিত মূল ভবনটি। এ ছাড়া কমপ্লেক্সজুড়ে আছে লন, লেক ও এমপি হোস্টেল। কমপ্লেক্সটির চারপাশ দিয়ে গেছে চারটি প্রধান সড়ক। মূল ভবনটি তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত—প্রধান প্লাজা, দক্ষিণ প্লাজা ও রাষ্ট্রীয় প্লাজা। লেকটি যাতে নদীমাতৃক বাংলাদেশের পরিচয় বহন করে, সেই দিকটি বিবেচনা করেছেন লুই কান। এটি লুই কানের এমনি এক সৃষ্টি, যা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়। এটি আধুনিক ও কালোতীর্ণ। লুই কান তাঁর এই অমর সৃষ্টিতে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার করেছেন বিস্ময়করভাবে। তিনি এই ভবনে বৃত্ত, অর্ধবৃত্ত, বর্গ, ত্রিভুজের কাঠামোগুলো দিয়ে একটি নতুন স্বাধীনতার আদর্শের আত্মপ্রকাশ ঘটাতে চেয়েছিলেন। তিনি পেরেছেনও। তাঁর হাত ধরেই জন্ম নিয়েছে একটি স্বাধীন দেশের নতুন দিনের আশার আলোকরেখা।
১৯৭৪ সালে পেনসিলভানিয়ার এক রেলস্টেশনে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান লুই কান। তিনি বেঁচে নেই ঠিকই, কিন্তু তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন চিরকাল। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন থাকবে জাতীয় সংসদ ভবন। আর সংসদ ভবন ধারণ করে রাখবে তার স্থপতির নাম।
১৯২৪ সালে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুই কান স্নাতক ডিগ্রি নেন। তারপর ঘুরে বেড়ান পৃথিবীর নানা প্রান্তে। কাজ করেন জন মলিটর, জর্জ হুই, অস্কার স্টনোরোভর মতো তৎকালীন নামকরা স্থপতিদের সঙ্গে। প্রথম দিকে লুই কান আন্তর্জাতিক মানের কাজ করলেও তাঁর নিজস্ব কোনো স্টাইল ছিল না। বয়স ৫০ পেরোনোর পর তিনি শুরু করেন সম্পূর্ণ নিজের ধরনের কাজ। জন্ম দেন একের পর এক নামকরা স্থাপত্য, যার শেষের দিকের নিদর্শন আমাদের সংসদ ভবন। যে স্থাপত্য লুই কানকে স্থান দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। বাংলাদেশের তো বটেই, বিশ্বেরও।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে। এটিকে তখন পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ ভবন হিসেবে ভাবা হয়েছিল। স্বাধীনতার পর তা পরিণত হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনে। ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হয় এর নির্মাণকাজ। একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম ও শেষ অধিবেশনে হয় এর উদ্বোধন। লুই কান এই বিশ্বসেরা স্থাপত্যের স্থপতি হলেও সর্বপ্রথম এই জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। বড় মাপের মানুষের মনও যে বড় হয়, স্থপতি মাজহারুল ইসলাম তা আবারও প্রমাণ করেছেন। তিনি ছিলেন লুই কানের প্রিয় ছাত্রদের একজন। তিনিই লুই কানকে এ দেশে এনেছিলেন এবং সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব নিতে বলেছিলেন। তাঁর প্রিয় শিক্ষকই পারবেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু করতে—এই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে জাতীয় সংসদ ভবনের মতো একটি বিশ্বসেরা স্থাপত্য।
সংসদ ভবনের পুরো কমপ্লেক্সের নকশাটিই লুই কানের করা। কমপ্লেক্সের ঠিক মাঝখানে স্থাপিত মূল ভবনটি। এ ছাড়া কমপ্লেক্সজুড়ে আছে লন, লেক ও এমপি হোস্টেল। কমপ্লেক্সটির চারপাশ দিয়ে গেছে চারটি প্রধান সড়ক। মূল ভবনটি তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত—প্রধান প্লাজা, দক্ষিণ প্লাজা ও রাষ্ট্রীয় প্লাজা। লেকটি যাতে নদীমাতৃক বাংলাদেশের পরিচয় বহন করে, সেই দিকটি বিবেচনা করেছেন লুই কান। এটি লুই কানের এমনি এক সৃষ্টি, যা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়। এটি আধুনিক ও কালোতীর্ণ। লুই কান তাঁর এই অমর সৃষ্টিতে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার করেছেন বিস্ময়করভাবে। তিনি এই ভবনে বৃত্ত, অর্ধবৃত্ত, বর্গ, ত্রিভুজের কাঠামোগুলো দিয়ে একটি নতুন স্বাধীনতার আদর্শের আত্মপ্রকাশ ঘটাতে চেয়েছিলেন। তিনি পেরেছেনও। তাঁর হাত ধরেই জন্ম নিয়েছে একটি স্বাধীন দেশের নতুন দিনের আশার আলোকরেখা।
১৯৭৪ সালে পেনসিলভানিয়ার এক রেলস্টেশনে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান লুই কান। তিনি বেঁচে নেই ঠিকই, কিন্তু তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন চিরকাল। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন থাকবে জাতীয় সংসদ ভবন। আর সংসদ ভবন ধারণ করে রাখবে তার স্থপতির নাম।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
যশোর রোড: আন্দোলনের অনন্ত প্রেরণা
আমার ইচ্ছা ছিল, বব ডিলানকে চমকে দিয়ে একটা গান লিখব। অনেকটা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের ‘স্যাড-আইড লেডি অব দ্য লো ল্যান্ডস’-এর মতো লম্বা কোনো গান, যা প্রকৃতির সৌন্দর্য আর মানবিক আকুতি জাগাবে, যা ডিলানকে ভাবাবে, কাঁদাবে। আমি তা-ই লিখতে চেষ্টা কলাম। সম্প্রতি কলকাতা ঘুরে লাখ লাখ মানুষের সীমাহীন দুঃখ-কষ্ট দেখে আমার যে অনুভূতি তৈরি হয়েছে, তা-ই লিখলাম। কলকাতার ভাষা আর সংগীতের মিশ্রণে সেটাকে গানে রূপ দিলাম ভারতীয় হারমোনিয়াম সহযোগে। সে সময়ে দেখা মানুষগুলোর অন্তহীন যাতনা আমাকে নির্বাক করেছিল। সব বয়সের মানুষের বেঁচে থাকার কষ্ট আমার বুকে চেপে বসে ছিল। সেই যাতনা হূদয়ে নিয়েই আমি লিখেছিলাম ‘যশোর রোড’ কবিতা। আমি মূলত ভারতীয় বজ্র গুরু মন্ত্র নামের বৌদ্ধ সুরের সঙ্গে ‘ব্ল্যাক’-এর গাওয়া ‘ওয়ান অ্যানাদারস সরো’র অন্ত্যমিলের সমন্বয়ে যশোর গাওয়ার চেষ্টা করলাম। ডিলান আমার এই লেখা পড়ে দেখার জন্য নিলেন। পরদিন তিনি যখন সেটি ফেরত দিলেন তখন বললেন, ‘আমি না কেঁদে পারিনি।’ আমরা পরে এ গানের সুর ও সংগীত প্রযোজনার উদ্যোগ নিলাম। কিন্তু বব প্রথম দিকে কিছুতেই পাশ্চাত্যের হারমোনিয়ামের সঙ্গে গিটারের সমন্বয় করতে পারছিলেন না। আমি অবশ্য তাঁকে বলেছিলাম, এ গান বোধহয় ব্লুজের সুরে হবে, যদিও তাঁর কাছ থেকে ব্লুজ সম্পর্কে তখনো আমি শিখছিলাম। বব বারবার তাঁর গিটার টিউন করছিলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। অনেকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছিলেন, আর এদিকে আমি একটানা গানটি গেয়েই যাচ্ছিলাম। বব একটানা গিটারে সুর তোলার চেষ্টা করেই গেলেন যতক্ষণ না তাঁর হাত ব্যথা হয়। পরে ডিলান অন্য একটি গিটার আনলেন, পিয়ানো বাদ দিলেন এবং গানের বিভিন্ন অন্তরায় ড্রাম বাজাতে শুরু করলেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ছিল দশ আঙুলে ডিলানের জাদুকরী গিটার বাজানো। সময় সময় তিনি থামছিলেন ঠিক যেখানে থামা উচিত; আবার শুরু করছিলেন। শেষমেশ গানটি দাঁড়াল। পরে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে ডেট্রয়েটে আমরা কবি ‘জন সিনক্লেয়ারের মুক্তি চাই’—এ দাবিতে আয়োজিত শোভাযাত্রায় যশোর রোড গানটি গাই। জন সিনক্লেয়ার ছিলেন মার্কিন কবি ও সাংবাদিক। বিকল্প রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এ শোভাযাত্রার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন জন লেনন ও তাঁর স্ত্রী ইয়োকো ওনো। আমরা শোভাযাত্রায় পুরো গানটিই গাই এবং আমাদের সঙ্গে সেদিন গিটার বাজিয়েছিলেন গ্রে গেটজ। আমাদের গান গাওয়ার সময়ে লেনন ছিলেন ড্রেসিং রুমে। এ কারণে তিনি গানটি শুনতে পারেননি। পরে যখন আমরা তাঁর সঙ্গে হোটেলে দেখা করি, তখন গ্রেটজ ও আমি তাঁকে গানটি গেয়ে শোনাই। লেনন মুগ্ধ হয়েছিলেন।
আখতার জামান
সূত্র: ডিলান ১০, বসন্ত সংখ্যা (কবিতা ও গানের খবরাখবর নিয়ে বব ডিলানের প্রকাশনা)
যা কিছু প্রথম
সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে দ্রুতগামী—এ রকম যাবতীয় রেকর্ডধারীরই একটা সাধারণ পরিণতি হচ্ছে একসময় পেছনে পড়ে যাওয়া। কারণ, আজ হোক, কাল হোক, কেউ না কেউ এই রেকর্ডধারীদের পেছনে ফেলবেই। কিন্তু যা কিছু প্রথম, তা সব সময়ই প্রথম। হতে পারে, প্রথম আবিষ্কৃত তথ্যটা হয়তো পরে দেখা গেল প্রথম নয়, তারও আগে কিছু আছে। কিন্তু সেটিও হবে প্রথম, কাজেই প্রথম চিরকালই প্রথম।
চলচ্চিত্রের সংগীত
ইংরেজি ধারাবাহিক দ্য স্যালভেশন আর্মিতে প্রথমবারের মতো সুর সংযোজন করা হয়। যিশু খ্রিষ্টের জীবন ও প্রাচীন যোদ্ধাদের বীরত্বগাথা নিয়ে ধারাবাহিকটি তৈরি হয়েছিল। এতে মূলত সুরারোপ করেছিলেন আর এম এম সি ন্যালি। ১৯০০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো ধারাবাহিকটি প্রদর্শিত হয় মেলবোর্ন টাউন হলে।
স্টেরিও সাউন্ড সিস্টেম
ফরাসি টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ক্লেমেন্টকে স্টেরিও শব্দব্যবস্থার প্রথম প্রবক্তা বলা যায়। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে করতে তিনি গানের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের কাজে ব্যবহূত ‘থিয়াট্রিফোন’ তৈরি করে ফেলেন। তাঁর এই শব্দব্যবস্থায় মঞ্চের ডানে ও বাঁয়ে দুটি মাইক্রোফোন বসানো হতো। এসব মাইক্রোফোনের সঙ্গে টেলিফোনের তার জোড়া দেওয়া হতো। তারের অন্য প্রান্তে হেডফোন লাগিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও দূর থেকে শ্রোতারা রেকর্ড বাজানোর যন্ত্রে মঞ্চের অনুষ্ঠান সরাসরি শুনতে পারত।
শব্দ ধারণ
টমাস আলভা এডিসনের আবিষ্কৃত ফোনোগ্রাফই ছিল শব্দ ধারণ করার প্রাথমিক যন্ত্র। এডিসন (১৮৪৭-১৯৩১) যুক্তরাষ্ট্রের মেনলো পার্কের গবেষণাগারে বসে ফোনোগ্রাফ তৈরি করেন (১৮৭৬)। পরের বছর জন ক্রিউসি নামের এডিসনের এক সহযোগী ফোনোগ্রাফকে শব্দ ধারণ করার উপযোগী করে তোলেন।
দীর্ঘ সময় চলা রেকর্ড
১৯৪৪ সালের কোনো এক সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির ড. পিটার গোল্ডমার্কের বাড়িতে এক অনুষ্ঠান চলছিল। গানও বাজছিল। কিন্তু সে সময়কার রেকর্ডগুলো ছিল সবই চার মিনিটের। ফলে একটু পরপরই গান বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এতে বিগড়ে যায় পিটারের মেজাজ। এর পরই তিনি নেমে পড়েন কীভাবে রেকর্ডগুলো আরও দীর্ঘ সময় ধরে বাজানোর উপযোগী করা যায়, সেই সাধনায়। এ কাজে তাঁকে সহযোগিতা করে কলম্বিয়ার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম (সিবিএস)। চার বছর চেষ্টার পর ড. পিটার এলপি রেকর্ড বা লং প্লেয়িং রেকর্ড প্রস্তুত করতে সক্ষম হন। প্রথম এলপি রেকর্ডের দুই পিঠই ২৩ মিনিট করে চলার উপযোগী ছিল। নিউইয়র্কের বাজারে প্রথম এলপি রেকর্ড ছাড়া হয় ১৯৪৮ সালে।
কমপ্যাক্ট ডিস্ক
প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্ক ছিল জাপানি সনি ও ডাচ ফিলিপস কোম্পানির একটি যৌথ প্রকল্পের ফসল। ১৯৭৮ সালে প্রথমবারের মতো এ প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়। কিন্তু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ১৯৮২ সালে জাপানে প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্কে গানের রেকর্ড বাজারে ছাড়া হয়।
চলচ্চিত্রের সংগীত
ইংরেজি ধারাবাহিক দ্য স্যালভেশন আর্মিতে প্রথমবারের মতো সুর সংযোজন করা হয়। যিশু খ্রিষ্টের জীবন ও প্রাচীন যোদ্ধাদের বীরত্বগাথা নিয়ে ধারাবাহিকটি তৈরি হয়েছিল। এতে মূলত সুরারোপ করেছিলেন আর এম এম সি ন্যালি। ১৯০০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো ধারাবাহিকটি প্রদর্শিত হয় মেলবোর্ন টাউন হলে।
স্টেরিও সাউন্ড সিস্টেম
ফরাসি টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ক্লেমেন্টকে স্টেরিও শব্দব্যবস্থার প্রথম প্রবক্তা বলা যায়। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে করতে তিনি গানের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের কাজে ব্যবহূত ‘থিয়াট্রিফোন’ তৈরি করে ফেলেন। তাঁর এই শব্দব্যবস্থায় মঞ্চের ডানে ও বাঁয়ে দুটি মাইক্রোফোন বসানো হতো। এসব মাইক্রোফোনের সঙ্গে টেলিফোনের তার জোড়া দেওয়া হতো। তারের অন্য প্রান্তে হেডফোন লাগিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও দূর থেকে শ্রোতারা রেকর্ড বাজানোর যন্ত্রে মঞ্চের অনুষ্ঠান সরাসরি শুনতে পারত।
শব্দ ধারণ
টমাস আলভা এডিসনের আবিষ্কৃত ফোনোগ্রাফই ছিল শব্দ ধারণ করার প্রাথমিক যন্ত্র। এডিসন (১৮৪৭-১৯৩১) যুক্তরাষ্ট্রের মেনলো পার্কের গবেষণাগারে বসে ফোনোগ্রাফ তৈরি করেন (১৮৭৬)। পরের বছর জন ক্রিউসি নামের এডিসনের এক সহযোগী ফোনোগ্রাফকে শব্দ ধারণ করার উপযোগী করে তোলেন।
দীর্ঘ সময় চলা রেকর্ড
১৯৪৪ সালের কোনো এক সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির ড. পিটার গোল্ডমার্কের বাড়িতে এক অনুষ্ঠান চলছিল। গানও বাজছিল। কিন্তু সে সময়কার রেকর্ডগুলো ছিল সবই চার মিনিটের। ফলে একটু পরপরই গান বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এতে বিগড়ে যায় পিটারের মেজাজ। এর পরই তিনি নেমে পড়েন কীভাবে রেকর্ডগুলো আরও দীর্ঘ সময় ধরে বাজানোর উপযোগী করা যায়, সেই সাধনায়। এ কাজে তাঁকে সহযোগিতা করে কলম্বিয়ার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম (সিবিএস)। চার বছর চেষ্টার পর ড. পিটার এলপি রেকর্ড বা লং প্লেয়িং রেকর্ড প্রস্তুত করতে সক্ষম হন। প্রথম এলপি রেকর্ডের দুই পিঠই ২৩ মিনিট করে চলার উপযোগী ছিল। নিউইয়র্কের বাজারে প্রথম এলপি রেকর্ড ছাড়া হয় ১৯৪৮ সালে।
কমপ্যাক্ট ডিস্ক
প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্ক ছিল জাপানি সনি ও ডাচ ফিলিপস কোম্পানির একটি যৌথ প্রকল্পের ফসল। ১৯৭৮ সালে প্রথমবারের মতো এ প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়। কিন্তু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ১৯৮২ সালে জাপানে প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্কে গানের রেকর্ড বাজারে ছাড়া হয়।
ভাষান্তর: ইসরাত জাহান
সূত্র: দ্য পেঙ্গুইন বুক অব ফার্স্ট
বার্ধক্যে খ্যাতি
# যশ-খ্যাতি যা কামানোর, অধিকাংশ লোক তা তরুণ বয়সেই কামান। ব্যতিক্রমও আছে। বেশি বয়সেও অনেকে সাফল্যের দেখা পান, পান খ্যাতির স্বাদ। ভেতরে শিল্পীসত্তা আর উদ্যমী একটা মন থাকলে সাফল্য ধরা দেবেই দেবে; বয়সে আপনি নবীন হোন আর প্রবীণই হোন। কাজটাই মুখ্য। সেই কাজের গুণে লোকে আপনাকে চিনবে, আপনার নামডাক হবে। তেমনই কজন প্রবীণ খ্যাতিমান মানুষের সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো। তাঁরা বেশি বয়সেও এমন সব কাজ করে গেছেন, যে কাজের জন্য মৃত্যুর পরও তাঁরা অমর হয়ে আছেন, থাকবেন।
# গেঁটেবাতে আক্রান্ত আনা মোসেস একরকম পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে ছিলেন। তখন তাঁর বয়স ৭৬ বছর। রং-তুলি ছুঁয়েও দেখেননি কখনো। নিঃসঙ্গ সময় কাটাতে সেই আনা হাতে তুলে নেন তুলি। ক্যানভাসে এঁকে চলেন একের পর এক ছবি। সেই ছবির খ্যাতি একটু একটু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। যুক্তরাষ্ট্র এমনকি অন্যান্য দেশেও তাঁর আঁকা ছবির কদর বাড়তে লাগল। দেখতে দেখতে রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেলেন। এরপর জীবনের ২৫টি বছর ছবি এঁকেই কাটিয়েছেন তিনি। ১০১ বছর বয়সে মারা যান আনা মোসেস।
# ফাস্ট ফুড সংস্কৃতিতে যারা অভ্যস্ত, তাদের কাছে ম্যাকডোনাল্ডসের কদর আলাদা। ম্যাকডোনাল্ডস অভিজাত একটি ব্র্যান্ডের নাম, যার তৈরি হ্যামবার্গারের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। রে ক্রোক নামের এক ব্যক্তি সেই হ্যামবার্গার বানিয়েছিলেন ৫২ বছর বয়সে। স্বাদে ও গুণে অনন্য হ্যামবার্গারের খ্যাতি ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিষ্ঠা পায় ম্যাকডোনাল্ডস নামের একটি ব্র্যান্ড। ১৯৬৩ সালের মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি হ্যামবার্গার বিক্রি হয়ে যায়। অথচ এই রে ক্রোক তাঁর তারুণ্যের ১৭টি বসন্ত কাটিয়েছেন সেলসম্যানের কাজ করে। পরের ১৭ বছর তিনি দুধের সঙ্গে আইসক্রিম মিশিয়ে এক ধরনের পানীয় তৈরির কাজ করেছেন।
# ৬১ বছর বয়সে চিকিৎসা পেশা থেকে অবসর নেন রোজেট। এরপর মন দেন ভাষার কাজে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে অভিধান তৈরির কাজটা তিনিই প্রথম করেন। ৭৩ বছর বয়সে অভিধানের কাজ শেষ করেন এবং রোজেট-অভিধান প্রকাশিত হয়। ৯০ বছর বয়সে মারা যাওয়ার আগপর্যন্ত ওই অভিধানে যত পরিবর্তন-পরিবর্ধন হয়েছে, সবকিছুর সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
# রান্নাবাটি সম্পর্কে বেজায় ঔদাসীন্য ছিলেন জুলিয়া চাইল্ড। বয়স যখন ৩০, তখন তিনি ফ্রান্সে যান। সেখানে গিয়ে ফরাসি রান্নার এমনই ভক্ত বনে যান যে ফরাসি রন্ধনরীতি আয়ত্ত করা শুরু করেন তিনি। উদরপূর্তির জন্য উনুনে হাঁড়ি চড়িয়েই ক্ষান্ত হননি জুলিয়া। রান্নার বিন্দু-বিসর্গ পর্যন্ত জানলেন। একসময় ফরাসি কেতার রান্নাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেলেন। এক দশকের মাথায় রান্নাবান্নার ওপর তাঁর প্রথম বই প্রকাশিত হয়। আর ৫১ বছর বয়সে তাঁর রান্নাবাটির কায়দা-কানুন নিয়ে ফরাসি একটি টেলিভিশন চ্যানেল সিরিজ-অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে।
# গেঁটেবাতে আক্রান্ত আনা মোসেস একরকম পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে ছিলেন। তখন তাঁর বয়স ৭৬ বছর। রং-তুলি ছুঁয়েও দেখেননি কখনো। নিঃসঙ্গ সময় কাটাতে সেই আনা হাতে তুলে নেন তুলি। ক্যানভাসে এঁকে চলেন একের পর এক ছবি। সেই ছবির খ্যাতি একটু একটু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। যুক্তরাষ্ট্র এমনকি অন্যান্য দেশেও তাঁর আঁকা ছবির কদর বাড়তে লাগল। দেখতে দেখতে রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেলেন। এরপর জীবনের ২৫টি বছর ছবি এঁকেই কাটিয়েছেন তিনি। ১০১ বছর বয়সে মারা যান আনা মোসেস।
# ফাস্ট ফুড সংস্কৃতিতে যারা অভ্যস্ত, তাদের কাছে ম্যাকডোনাল্ডসের কদর আলাদা। ম্যাকডোনাল্ডস অভিজাত একটি ব্র্যান্ডের নাম, যার তৈরি হ্যামবার্গারের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। রে ক্রোক নামের এক ব্যক্তি সেই হ্যামবার্গার বানিয়েছিলেন ৫২ বছর বয়সে। স্বাদে ও গুণে অনন্য হ্যামবার্গারের খ্যাতি ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিষ্ঠা পায় ম্যাকডোনাল্ডস নামের একটি ব্র্যান্ড। ১৯৬৩ সালের মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি হ্যামবার্গার বিক্রি হয়ে যায়। অথচ এই রে ক্রোক তাঁর তারুণ্যের ১৭টি বসন্ত কাটিয়েছেন সেলসম্যানের কাজ করে। পরের ১৭ বছর তিনি দুধের সঙ্গে আইসক্রিম মিশিয়ে এক ধরনের পানীয় তৈরির কাজ করেছেন।
# ৬১ বছর বয়সে চিকিৎসা পেশা থেকে অবসর নেন রোজেট। এরপর মন দেন ভাষার কাজে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে অভিধান তৈরির কাজটা তিনিই প্রথম করেন। ৭৩ বছর বয়সে অভিধানের কাজ শেষ করেন এবং রোজেট-অভিধান প্রকাশিত হয়। ৯০ বছর বয়সে মারা যাওয়ার আগপর্যন্ত ওই অভিধানে যত পরিবর্তন-পরিবর্ধন হয়েছে, সবকিছুর সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
# রান্নাবাটি সম্পর্কে বেজায় ঔদাসীন্য ছিলেন জুলিয়া চাইল্ড। বয়স যখন ৩০, তখন তিনি ফ্রান্সে যান। সেখানে গিয়ে ফরাসি রান্নার এমনই ভক্ত বনে যান যে ফরাসি রন্ধনরীতি আয়ত্ত করা শুরু করেন তিনি। উদরপূর্তির জন্য উনুনে হাঁড়ি চড়িয়েই ক্ষান্ত হননি জুলিয়া। রান্নার বিন্দু-বিসর্গ পর্যন্ত জানলেন। একসময় ফরাসি কেতার রান্নাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেলেন। এক দশকের মাথায় রান্নাবান্নার ওপর তাঁর প্রথম বই প্রকাশিত হয়। আর ৫১ বছর বয়সে তাঁর রান্নাবাটির কায়দা-কানুন নিয়ে ফরাসি একটি টেলিভিশন চ্যানেল সিরিজ-অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে।
আবুল হাসনাত
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট
Subscribe to:
Posts (Atom)












